ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৭০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির দাবি—আলোচনায় নতুন চাপ সৃষ্টি করল ইরান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে ইরান। দেশটির দাবি, প্রাথমিক হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম RIA Novosti-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান তাদের যুদ্ধক্ষতিপূরণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছে।
মোহাজেরানি আরও জানান, ইসলামাবাদ-এ অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকেও এই ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ক্ষয়ক্ষতির এই হিসাব এখনও চূড়ান্ত নয়; বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর যৌথ হামলার পর পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
এর জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়, যার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল ছাড়াও ইরাক, জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি।
পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী সমাধান আসেনি। সর্বশেষ, ইসলামাবাদে প্রায় ২১ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে রোববার (১২ এপ্রিল) ভোরে আলোচনা শেষ হয় কোনো সমঝোতা ছাড়াই।

প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ:
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিপুল অঙ্কের ক্ষয়ক্ষতির দাবি তুলে ইরান আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে, যাতে ভবিষ্যৎ আলোচনায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা যায়।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

২৭০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির দাবি—আলোচনায় নতুন চাপ সৃষ্টি করল ইরান

প্রকাশিত: ০৩:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে ইরান। দেশটির দাবি, প্রাথমিক হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম RIA Novosti-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় ইরান তাদের যুদ্ধক্ষতিপূরণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছে।
মোহাজেরানি আরও জানান, ইসলামাবাদ-এ অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকেও এই ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ক্ষয়ক্ষতির এই হিসাব এখনও চূড়ান্ত নয়; বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর যৌথ হামলার পর পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
এর জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়, যার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল ছাড়াও ইরাক, জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি।
পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও স্থায়ী সমাধান আসেনি। সর্বশেষ, ইসলামাবাদে প্রায় ২১ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে রোববার (১২ এপ্রিল) ভোরে আলোচনা শেষ হয় কোনো সমঝোতা ছাড়াই।

প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ:
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিপুল অঙ্কের ক্ষয়ক্ষতির দাবি তুলে ইরান আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে, যাতে ভবিষ্যৎ আলোচনায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা যায়।