[primeitworld_print id="30136"]
ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুনতিতে বাঁশ বাগানের বনভূমি জবরদখল উচ্ছেদপূর্বক বাঁশসহ দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপন

রায়হান সিকদারঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন সাতগড় বিটের সাতের আগা নামক স্থানে ২০০২-০৩সালের  বাঁশ বাগানের বনভূমি জবরদখল উচ্ছেদপূর্বক বাঁশসহ দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

২৭জুলাই (সোমবার) সকালে এক একর জায়গায় এই গাছের চারা রোপন করে।

বৃক্ষরোপণকালে  চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা আবির হাসান,   সাতগড় বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ, বনবিভাগের স্টাফবৃন্দ, বাঁশ বাগানের অংশীদার ও অনিয়মিত শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন৷

চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা আবির হাসান বলেন,  বিদেশি প্রজাতির পরিবর্তে দেশীয় গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।  তিনি বলেন, বন্যহাতির অন্যতম প্রধান ও প্রিয় খাবার হলো বাঁশ। বন বিভাগ হাতির আবাসস্থলে খাদ্য সংকট দূর করতে এবং হাতিকে বনের ভেতরে ধরে রাখতে বাঁশ বাগান ও উপযোগী হিসেবে বুনো গাছের চারা রোপণ করা হয়।যার ফলে হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে সাহায্য করে থাকে। চুনতি সাতগড় বিটের সাতের আগা নামক স্থানে ২০০২-০৩সালের  বাঁশ বাগানের বনভূমি জবরদখল উচ্ছেদপূর্বক বাঁশসহ দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহলে মতে, বাঁশ বাগানের জবরদখল হওয়া বনভূমি উদ্ধার করে বাঁশ ও দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ একটি চমৎকার ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এটি পরিবেশ রক্ষা করে, জীববৈচিত্র্য বাড়ায় এবং মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

চুনতিতে বাঁশ বাগানের বনভূমি জবরদখল উচ্ছেদপূর্বক বাঁশসহ দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপন

প্রকাশিত: ০৬:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

রায়হান সিকদারঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন সাতগড় বিটের সাতের আগা নামক স্থানে ২০০২-০৩সালের  বাঁশ বাগানের বনভূমি জবরদখল উচ্ছেদপূর্বক বাঁশসহ দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

২৭জুলাই (সোমবার) সকালে এক একর জায়গায় এই গাছের চারা রোপন করে।

বৃক্ষরোপণকালে  চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা আবির হাসান,   সাতগড় বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ, বনবিভাগের স্টাফবৃন্দ, বাঁশ বাগানের অংশীদার ও অনিয়মিত শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন৷

চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা আবির হাসান বলেন,  বিদেশি প্রজাতির পরিবর্তে দেশীয় গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।  তিনি বলেন, বন্যহাতির অন্যতম প্রধান ও প্রিয় খাবার হলো বাঁশ। বন বিভাগ হাতির আবাসস্থলে খাদ্য সংকট দূর করতে এবং হাতিকে বনের ভেতরে ধরে রাখতে বাঁশ বাগান ও উপযোগী হিসেবে বুনো গাছের চারা রোপণ করা হয়।যার ফলে হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে সাহায্য করে থাকে। চুনতি সাতগড় বিটের সাতের আগা নামক স্থানে ২০০২-০৩সালের  বাঁশ বাগানের বনভূমি জবরদখল উচ্ছেদপূর্বক বাঁশসহ দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহলে মতে, বাঁশ বাগানের জবরদখল হওয়া বনভূমি উদ্ধার করে বাঁশ ও দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ একটি চমৎকার ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এটি পরিবেশ রক্ষা করে, জীববৈচিত্র্য বাড়ায় এবং মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।