
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, জাতীয় পর্যায়ে নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি খুব শিগগিরই শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
সভায় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, অতীতে জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় এ ধরনের উদ্যোগকে জাতীয় আন্দোলনের রূপ দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন খাল খননের অভাব, জলাবদ্ধতা, জলাশয়ে পানির সংকট এবং সেচব্যবস্থার দুর্বলতায় দেশবাসী ভোগান্তিতে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, নির্বাচনী ইশতেহারেই খাল পুনঃখননের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে জনগণকে পানি ব্যবস্থাপনার সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কর্মসূচি বাস্তবায়নে চারটি মন্ত্রণালয়—পানিসম্পদ, স্থানীয় সরকার, কৃষি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা—সমন্বিতভাবে কাজ করবে। আগামী সপ্তাহে বৈঠকের মাধ্যমে চূড়ান্ত কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে।
১৮০ দিনের সময়সীমা সম্পর্কে তিনি বলেন, কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ অগ্রগতি দৃশ্যমান করার চেষ্টা থাকবে। এক সপ্তাহের মধ্যেই কর্মসূচি শুরুর সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 

