ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হালদায় ভেসে উঠল মৃত ডলফিন

খোরশেদ আলম শিমুল

দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা
নদীতে ভেসে উঠল মৃত ডলফিন।বৃহস্পতিবার(৫ ডিসেম্ব)বিকেল চারটা দিকে হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নের আকবরিয়া এলাকায় হালদা নদী থেকে ডলফিনটি উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
হালদা নদী বিষয়ক গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, মৃত ডলফিনটি নদীতে ভাসতে দেখে এলাকাবাসী হালদা রিভার রিচার্স সেন্টারের কর্মচারী মুন্নাকে ফোনে জানায়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ডলফিনটিকে নদী থেকে উদ্ধার করে তীরে আনা হয়। ডলফিনটির মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে নদীতে চলাচল করা বালুবাহী নৌযান বা ইঞ্জিনচালিত নৌকার প্রপেলারের (পানির নিচে থাকা ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত পাখা) আঘাতে ডলফিনটির মৃত্যু হয়েছে।ডলফিনটি লম্বায় সাড়ে চার ফুট। ওজন ৩৫ কেজি। এটিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরির ফ্রিজে রাখা হয়েছে।
হালদায় যে ডলফিন দেখা যায়, তা স্থানীয়ভাবে উতোম বা শুশুক নামে পরিচিত। মিঠাপানির স্তন্যপায়ী এই প্রাণী গেঞ্জেস বা গাঙ্গেয় ডলফিন। সাধারণত দূষণমুক্ত পরিষ্কার পানিতে এটি বিচরণ করে।

 

 

 

 

 

 

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

হালদায় ভেসে উঠল মৃত ডলফিন

প্রকাশিত: ১১:৫৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯

খোরশেদ আলম শিমুল

দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা
নদীতে ভেসে উঠল মৃত ডলফিন।বৃহস্পতিবার(৫ ডিসেম্ব)বিকেল চারটা দিকে হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নের আকবরিয়া এলাকায় হালদা নদী থেকে ডলফিনটি উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
হালদা নদী বিষয়ক গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, মৃত ডলফিনটি নদীতে ভাসতে দেখে এলাকাবাসী হালদা রিভার রিচার্স সেন্টারের কর্মচারী মুন্নাকে ফোনে জানায়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ডলফিনটিকে নদী থেকে উদ্ধার করে তীরে আনা হয়। ডলফিনটির মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে নদীতে চলাচল করা বালুবাহী নৌযান বা ইঞ্জিনচালিত নৌকার প্রপেলারের (পানির নিচে থাকা ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত পাখা) আঘাতে ডলফিনটির মৃত্যু হয়েছে।ডলফিনটি লম্বায় সাড়ে চার ফুট। ওজন ৩৫ কেজি। এটিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরির ফ্রিজে রাখা হয়েছে।
হালদায় যে ডলফিন দেখা যায়, তা স্থানীয়ভাবে উতোম বা শুশুক নামে পরিচিত। মিঠাপানির স্তন্যপায়ী এই প্রাণী গেঞ্জেস বা গাঙ্গেয় ডলফিন। সাধারণত দূষণমুক্ত পরিষ্কার পানিতে এটি বিচরণ করে।