ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদি হত্যার আসামিদের বাংলাদেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

  • বাংলানিউজ
  • প্রকাশিত: ১২:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ১৬২ পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ বিন ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি শ্যুটার ফয়সাল এবং আলমগীরকে বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

রোববার (৮ মার্চ) আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা তথ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কর্তৃক হাদি হত্যার প্রধান আসামি শ্যুটার ফয়সাল এবং আলমগীর ভারতে আটক। বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাদের সুস্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও মূল শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল অবশেষে ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

রোববার ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই এবং পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম ‘এই সময়’ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফয়সালের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের অপর এক অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনকেও গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এই গ্রেপ্তারকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছে, কারণ হাদি হত্যার পর বাংলাদেশে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ভারত সফর করেন। তিনি এই সময় ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে হাদী হত্যা মামলার আসামিসহ সব সন্ত্রাসীদের আটক করে বাংলাদেশের ফেরত পাঠানোর জন্য চাপ দিয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত দুই খুনের আসামিকে রোববার আটক করতে সক্ষম হয়।

এছাড়াও বাংলাদেশের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণাকারীদের বিরুদ্ধেও সাঁড়াশি অভিযান চালাবে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তির গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাদি হত্যাকাণ্ডের পর তার পরিবারের সদস্য ও সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলে ছয়জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে ফয়সাল ও আলমগীরকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

হাদি হত্যার আসামিদের বাংলাদেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

প্রকাশিত: ১২:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ বিন ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি শ্যুটার ফয়সাল এবং আলমগীরকে বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

রোববার (৮ মার্চ) আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা তথ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কর্তৃক হাদি হত্যার প্রধান আসামি শ্যুটার ফয়সাল এবং আলমগীর ভারতে আটক। বাংলাদেশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দাদের সুস্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও মূল শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল অবশেষে ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

রোববার ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই এবং পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম ‘এই সময়’ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফয়সালের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের অপর এক অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনকেও গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এই গ্রেপ্তারকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেছে, কারণ হাদি হত্যার পর বাংলাদেশে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ভারত সফর করেন। তিনি এই সময় ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে হাদী হত্যা মামলার আসামিসহ সব সন্ত্রাসীদের আটক করে বাংলাদেশের ফেরত পাঠানোর জন্য চাপ দিয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সুস্পষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত দুই খুনের আসামিকে রোববার আটক করতে সক্ষম হয়।

এছাড়াও বাংলাদেশের আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতে বসে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণাকারীদের বিরুদ্ধেও সাঁড়াশি অভিযান চালাবে বলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
এখানে উল্লেখ্য যে, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তির গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাদি হত্যাকাণ্ডের পর তার পরিবারের সদস্য ও সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলে ছয়জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে ফয়সাল ও আলমগীরকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।