ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার প্রতিও ‘ইনসাফ’ থাকবে: তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিচারবহির্ভূত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তাঁকে আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই মোকাবিলা করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে সরকারের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমরা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চেয়েছি, কারণ তিনি ইনসাফ করেননি। নতুন বাংলাদেশ গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইনসাফ নিশ্চিত করা। এমনকি শত্রুর প্রতিও ইনসাফ থাকবে। শেখ হাসিনার প্রতিও আমাদের ইনসাফ থাকবে।’
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে কোনো ‘এক্সট্রা জুডিশিয়াল’ বা বিচারবহির্ভূত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হবে না। সবকিছু বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘তাঁর বিচার হয়েছে। তাঁকে আবারও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় যদি তিনি মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি পান, সেটাও আমরা মেনে নেব। আর যদি দণ্ড বহাল থাকে, তাহলে তা কার্যকর হবে। সঠিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ইনসাফ নিশ্চিত হয়।’
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী বলা যায় না। অভিযোগের পর তদন্ত, প্রসিকিউশন ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে একজন ব্যক্তি অপরাধী কি না, তা নির্ধারিত হয়।
তিনি বলেন, ‘যেকোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্রও তাঁকে সেই সুযোগ দেবে। পলাতক সাবেক সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—সবার ক্ষেত্রেই একই ন্যায়বিচারের নীতি অনুসরণ করা হবে।’

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

শেখ হাসিনার প্রতিও ‘ইনসাফ’ থাকবে: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত: ১০:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিচারবহির্ভূত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তাঁকে আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই মোকাবিলা করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সচিবালয়ে সরকারের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমরা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চেয়েছি, কারণ তিনি ইনসাফ করেননি। নতুন বাংলাদেশ গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইনসাফ নিশ্চিত করা। এমনকি শত্রুর প্রতিও ইনসাফ থাকবে। শেখ হাসিনার প্রতিও আমাদের ইনসাফ থাকবে।’
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে কোনো ‘এক্সট্রা জুডিশিয়াল’ বা বিচারবহির্ভূত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হবে না। সবকিছু বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘তাঁর বিচার হয়েছে। তাঁকে আবারও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় যদি তিনি মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি পান, সেটাও আমরা মেনে নেব। আর যদি দণ্ড বহাল থাকে, তাহলে তা কার্যকর হবে। সঠিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ইনসাফ নিশ্চিত হয়।’
ব্রিফিংয়ে উপস্থিত তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো অভিযোগ উঠলেই কাউকে অপরাধী বলা যায় না। অভিযোগের পর তদন্ত, প্রসিকিউশন ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে একজন ব্যক্তি অপরাধী কি না, তা নির্ধারিত হয়।
তিনি বলেন, ‘যেকোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্রও তাঁকে সেই সুযোগ দেবে। পলাতক সাবেক সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—সবার ক্ষেত্রেই একই ন্যায়বিচারের নীতি অনুসরণ করা হবে।’