
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় দুই নেতার বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
তিনি বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমানের এটি দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফর। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনে পৌঁছেছেন। এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থান আরও সুসংহত করা এবং ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে বৃহস্পতিবার চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান। গ্রেট হল অব দ্য পিপলে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের যাচাইকৃত ফেসবুক পাতায় জানানো হয়েছে, এসব সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক হবে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গোইংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, নদী ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা ঝুঁকি মোকাবিলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির আলোচনা হয়। উভয় দেশ এসব ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ জোরদারে সম্মত হয়েছে।
অন্যদিকে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাওয়ের সঙ্গে ‘দলীয় পর্যায়ের’ বৈঠকেও অংশ নেন তারেক রহমান। বৈঠকে বিএনপি ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাহদী আমিন।
দেশ বাংলা অনলাইন 

