ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শনিবারের মধ্যে নরমাল ডেলিভারি রুম না থাকলে ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর সব বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে আগামী শনিবারের মধ্যে নরমাল ডেলিভারির জন্য পৃথক ডেলিভারি রুম নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটির আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একসময় গ্রামে দাইরা প্রসবে সহায়তা করতেন, যা গ্রামীণ জীবনের একটি পরিচিত চিত্র ছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে সেই ব্যবস্থা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সিজারের পর নবজাতক সময়মতো শালদুধ (মায়ের প্রথম দুধ) পায় না, যা শিশুর পুষ্টির ঘাটতির একটি কারণ হতে পারে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, একসময় হামকে সাধারণ রোগ হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। পুষ্টির অভাব হামের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই মা ও শিশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত না করে একটি সুষম অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
তিনি জানান, সারাদেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ৮০ হাজার হবেন নারী স্বাস্থ্যকর্মী এবং এ নিয়োগে মিডওয়াইফদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

শনিবারের মধ্যে নরমাল ডেলিভারি রুম না থাকলে ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১২:৪৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর সব বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে আগামী শনিবারের মধ্যে নরমাল ডেলিভারির জন্য পৃথক ডেলিভারি রুম নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটির আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একসময় গ্রামে দাইরা প্রসবে সহায়তা করতেন, যা গ্রামীণ জীবনের একটি পরিচিত চিত্র ছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে সেই ব্যবস্থা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সিজারের পর নবজাতক সময়মতো শালদুধ (মায়ের প্রথম দুধ) পায় না, যা শিশুর পুষ্টির ঘাটতির একটি কারণ হতে পারে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, একসময় হামকে সাধারণ রোগ হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। পুষ্টির অভাব হামের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই মা ও শিশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত না করে একটি সুষম অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
তিনি জানান, সারাদেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ৮০ হাজার হবেন নারী স্বাস্থ্যকর্মী এবং এ নিয়োগে মিডওয়াইফদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।