[primeitworld_print id="28922"]
ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ স্থগিত করল ইরান, দাবি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ স্থগিত করেছে ইরান। দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সরকারি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন যতদিন পর্যন্ত ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কার্যকর যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে না পারবে, ততদিন পর্যন্ত এই সংলাপ পুনরায় শুরু হবে না।
ইরানের এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও লেবানন সীমান্তে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা চালিয়ে আসছিল। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠককে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর একটি সম্ভাব্য সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছিল।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা আঞ্চলিক সংঘাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ না হলে কোনো ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয় বলে মনে করছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে, ইরানের এই পদক্ষেপ মূলত কৌশলগত চাপ সৃষ্টির অংশ, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ওপর যুদ্ধবিরতির জন্য আরও চাপ প্রয়োগ করে।
বর্তমানে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ স্থগিত করল ইরান, দাবি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের

প্রকাশিত: ০৪:১৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ স্থগিত করেছে ইরান। দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সরকারি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন যতদিন পর্যন্ত ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কার্যকর যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে না পারবে, ততদিন পর্যন্ত এই সংলাপ পুনরায় শুরু হবে না।
ইরানের এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও লেবানন সীমান্তে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা চালিয়ে আসছিল। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠককে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর একটি সম্ভাব্য সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছিল।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা আঞ্চলিক সংঘাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ না হলে কোনো ধরনের কূটনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয় বলে মনে করছে তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে, ইরানের এই পদক্ষেপ মূলত কৌশলগত চাপ সৃষ্টির অংশ, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ওপর যুদ্ধবিরতির জন্য আরও চাপ প্রয়োগ করে।
বর্তমানে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।