ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গরু বিক্রির ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে ডাকাতরা

বান্দরবানে সাংবাদিক কায়সার হামিদের বাড়িতে ডাকাতি, ফোন করেও সাড়া মেলেনি পুলিশের

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগরে দৈনিক সমকালের লোহাগাড়া প্রতিনিধি সাংবাদিক কায়সার হামিদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। ঘটনার পর আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার (৬ জুন) ভোর ৪টার দিকে আজিজনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রোডপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, ভোরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তাদের মধ্যে তিনজন ছাদ বেয়ে ঘরে প্রবেশ করে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি ভেঙে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এ সময় অন্য সদস্যরা বাড়ির বাইরে অবস্থান নিয়ে আশপাশের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।
সাংবাদিক কায়সার হামিদ বলেন, “পেশাগত কারণে আমি ও আমার স্ত্রী লোহাগাড়ার বাসায় ছিলাম। বাড়িতে শুধু বৃদ্ধ বাবা-মা ছিলেন। গরু বিক্রির টাকা ও কিছু স্বর্ণালংকার বাড়িতে রাখা ছিল।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ডাকাতির সময় আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুর রহিমকে ১০ থেকে ১৫ বার ফোন করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ৯৯৯-এ কল দেওয়ার ১৫-২০ মিনিট পর তিনি কলব্যাক করেন। তখনও দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু পুলিশ আসে সকাল ৭টার দিকে। কার্যত তাদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কসংলগ্ন লামার আজিজনগর ইউনিয়নের রোডপাড়া এবং পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় গত ১০ দিনে অন্তত পাঁচটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনায় লামা কিংবা চকরিয়া থানা পুলিশের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তাদের।

এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ফাঁড়ি পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ফাঁড়ির ইনচার্জকে এ নিয়ে ইতোমধ্যে বকাঝকা করা হয়েছে।”
চকরিয়া থানার ওসি মনির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “উত্তর হারবাং এলাকায় কয়েকদিন আগে ডাকাতির একটি ঘটনা ঘটেছে। একটি মামলাও নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।”

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

গরু বিক্রির ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে ডাকাতরা

বান্দরবানে সাংবাদিক কায়সার হামিদের বাড়িতে ডাকাতি, ফোন করেও সাড়া মেলেনি পুলিশের

প্রকাশিত: ০২:০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগরে দৈনিক সমকালের লোহাগাড়া প্রতিনিধি সাংবাদিক কায়সার হামিদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। ঘটনার পর আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

শনিবার (৬ জুন) ভোর ৪টার দিকে আজিজনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রোডপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, ভোরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তাদের মধ্যে তিনজন ছাদ বেয়ে ঘরে প্রবেশ করে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি ভেঙে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এ সময় অন্য সদস্যরা বাড়ির বাইরে অবস্থান নিয়ে আশপাশের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল।
সাংবাদিক কায়সার হামিদ বলেন, “পেশাগত কারণে আমি ও আমার স্ত্রী লোহাগাড়ার বাসায় ছিলাম। বাড়িতে শুধু বৃদ্ধ বাবা-মা ছিলেন। গরু বিক্রির টাকা ও কিছু স্বর্ণালংকার বাড়িতে রাখা ছিল।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ডাকাতির সময় আজিজনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুর রহিমকে ১০ থেকে ১৫ বার ফোন করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ৯৯৯-এ কল দেওয়ার ১৫-২০ মিনিট পর তিনি কলব্যাক করেন। তখনও দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু পুলিশ আসে সকাল ৭টার দিকে। কার্যত তাদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কসংলগ্ন লামার আজিজনগর ইউনিয়নের রোডপাড়া এবং পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় গত ১০ দিনে অন্তত পাঁচটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনায় লামা কিংবা চকরিয়া থানা পুলিশের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তাদের।

এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ফাঁড়ি পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ফাঁড়ির ইনচার্জকে এ নিয়ে ইতোমধ্যে বকাঝকা করা হয়েছে।”
চকরিয়া থানার ওসি মনির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “উত্তর হারবাং এলাকায় কয়েকদিন আগে ডাকাতির একটি ঘটনা ঘটেছে। একটি মামলাও নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।”