
চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর থানার এসি মসজিদের পাশে একটি আবাসিক ভবনে গ্যাস জমে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হওয়া রানী আক্তার (৪০) ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩৬ নম্বর বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে অ্যাম্বুল্যান্সে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন নিহতের আত্মীয় মো. মকবুল।
নিহত রানী আক্তার কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে। আহত বাকি আটজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বিস্ফোরণের ঘটনা
সোমবার ভোররাতে হালিমা মঞ্জিল নামের ভবনের তৃতীয় তলার একটি রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়লে ফায়ার সার্ভিসের দুটি স্টেশনের চারটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
দগ্ধদের পরিচয়
বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়েছেন—
শাখাওয়াত হোসেন (৪৬)
মো. শিপন (৩০)
মো. সুমন (৪০)
মো. শাওন (১৭)
মো. আনাস (৭)
উম্মে আইমন (৯)
আয়েশা আক্তার (৪)
পাখি আক্তার (৩৫)
রানী আক্তার (৪০) — (মৃত)
দগ্ধের অবস্থা
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে—
শাখাওয়াত হোসেন, পাখি আক্তার ও রানী আক্তারের শ্বাসনালির ১০০% পুড়ে গেছে
মো. শিপনের শ্বাসনালির ৮০% পুড়েছে
মো. সুমন ও মো. শাওনের শরীরের প্রায় ৪৫% দগ্ধ
তিন শিশু আনাস, আইমন ও আয়েশার শরীরের ২০–২৫% পুড়েছে
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লাইনের গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

