ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকটে ফিলিপাইনে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে ফিলিপাইন তীব্র সংকটে পড়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাবে দেশটিতে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় মঙ্গলবার ‘ন্যাশনাল এনার্জি ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র।

সরকারি তথ্যমতে, ফিলিপাইন তাদের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানি করে থাকে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশটিতে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
এক নির্বাহী আদেশে প্রেসিডেন্ট মার্কোস সতর্ক করে বলেছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বর্তমানে ‘ঝুঁকির মুখে’, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে সরকার বিশেষ ক্ষমতা পেয়েছে। এখন তারা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মজুত বাড়াতে পদক্ষেপ নিতে পারবে।
এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। জ্বালানিতে ভর্তুকি দেওয়া, মজুতদারি রোধ এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী শ্যারন গেরিন জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিপাইনের হাতে মাত্র ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র বিবিসি

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

জ্বালানি সংকটে ফিলিপাইনে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

প্রকাশিত: ০৯:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে ফিলিপাইন তীব্র সংকটে পড়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাবে দেশটিতে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় মঙ্গলবার ‘ন্যাশনাল এনার্জি ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র।

সরকারি তথ্যমতে, ফিলিপাইন তাদের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আমদানি করে থাকে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দেশটিতে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
এক নির্বাহী আদেশে প্রেসিডেন্ট মার্কোস সতর্ক করে বলেছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বর্তমানে ‘ঝুঁকির মুখে’, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে সরকার বিশেষ ক্ষমতা পেয়েছে। এখন তারা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মজুত বাড়াতে পদক্ষেপ নিতে পারবে।
এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। জ্বালানিতে ভর্তুকি দেওয়া, মজুতদারি রোধ এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী শ্যারন গেরিন জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিপাইনের হাতে মাত্র ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই জরুরি অবস্থা বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র বিবিসি