[primeitworld_print id="11448"]
ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার করোনা আক্রান্ত বোয়ালখালীর ইউএনও বেগম আছিয়া খাতুন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, দেশবাংলা ডট নেটঃ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আছিয়া খাতুনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রাম জেলার প্রথমবারের মত একজন নারী ইউএনও আক্রান্ত হলেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে বিআইটিআইডিতে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত সাতদিন ধরে আইসোলেশনে থাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন বলেন, কাপুনি থাকায় সন্দেহ দূর করতে গত ৬ জুন নমুনা দিয়েছিলাম। আজ ৯ জুন রাতে বিআইটিআইডির রিপোর্টে পজিটিভ এসেছে। এখন হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছি।

তিনি বলেন, আগে কাপুনি ছাড়া অন্য কোনো উপসর্গ ছিল না। এখন অবশ্য কোনো উপসর্গই নেই। মোটামুটি সুস্থ। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে বোয়ালখালীতে ইউএনও পদে যোগ দিয়েছিলেন আছিয়া খাতুন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই বোয়ালখালীতে ভাইরাসটি প্রতিরোধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। এছাড়া অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাঁচা বাজার চালুসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন বিসিএস ৩০ তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের এ কর্মকর্তা।

কর্মজীবনের শুরুতে ২০১২ সালের ৩ জুন থেকে ২০১৫ সালের ২০ জুন পর্যন্ত চট্টগ্রামে সহকারি কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন বেগম আছিয়া খাতুন। ২০১৫ সালের ২০ জুন থেকে ২০১৬ সালের ১৮ মে পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাতকানিয়ার সহকারি কমিশনার (ভূমি)। ২০১৬ সালের ১৯ মে থেকে ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম সদর সার্কেলের সহকারি কমিশনার (ভূমি) পদে কাজ করেন বেগম আছিয়া খাতুন। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এই সিনিয়র সহকারী সচিব।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও

এবার করোনা আক্রান্ত বোয়ালখালীর ইউএনও বেগম আছিয়া খাতুন

প্রকাশিত: ০১:০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২০

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, দেশবাংলা ডট নেটঃ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আছিয়া খাতুনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রাম জেলার প্রথমবারের মত একজন নারী ইউএনও আক্রান্ত হলেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে বিআইটিআইডিতে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত সাতদিন ধরে আইসোলেশনে থাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন বলেন, কাপুনি থাকায় সন্দেহ দূর করতে গত ৬ জুন নমুনা দিয়েছিলাম। আজ ৯ জুন রাতে বিআইটিআইডির রিপোর্টে পজিটিভ এসেছে। এখন হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছি।

তিনি বলেন, আগে কাপুনি ছাড়া অন্য কোনো উপসর্গ ছিল না। এখন অবশ্য কোনো উপসর্গই নেই। মোটামুটি সুস্থ। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে বোয়ালখালীতে ইউএনও পদে যোগ দিয়েছিলেন আছিয়া খাতুন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই বোয়ালখালীতে ভাইরাসটি প্রতিরোধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। এছাড়া অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাঁচা বাজার চালুসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন বিসিএস ৩০ তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের এ কর্মকর্তা।

কর্মজীবনের শুরুতে ২০১২ সালের ৩ জুন থেকে ২০১৫ সালের ২০ জুন পর্যন্ত চট্টগ্রামে সহকারি কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন বেগম আছিয়া খাতুন। ২০১৫ সালের ২০ জুন থেকে ২০১৬ সালের ১৮ মে পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাতকানিয়ার সহকারি কমিশনার (ভূমি)। ২০১৬ সালের ১৯ মে থেকে ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম সদর সার্কেলের সহকারি কমিশনার (ভূমি) পদে কাজ করেন বেগম আছিয়া খাতুন। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এই সিনিয়র সহকারী সচিব।