
মালয়েশিয়া সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রবাসীরা শুধু নিজ দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছেন না, তারা কর্মস্থল দেশকেও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাই প্রবাসীরা একসঙ্গে দুই দেশের উন্নয়নের অংশীদার।
(২১ জুন) রোববার কুয়ালালামপুরের সংগ্রিলা হোটেলে আয়োজিত বাংলাদেশি কমিউনিটির এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মালয়েশিয়ার পরিচ্ছন্ন পরিবেশের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা দেশের বাইরে থেকেও এখানকার নিয়ম-শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখছেন। এতে শুধু মালয়েশিয়াই নয়, বাংলাদেশেরও সুনাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকৃত অর্থে আপনারা দুই দেশকে গড়ে তুলতে সহায়তা করছেন।”
অনুষ্ঠানটি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এতে বক্তব্য দেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মনজুরুল করিম খান চৌধুরী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের এপ্রিলে প্রথম মালয়েশিয়া সফর করেছিলেন। প্রায় ৪৮ বছর পর তাঁর পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, সরকার গঠনের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম-এর আমন্ত্রণে দুই দিনের সরকারি সফরে রোববার রাতে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।
দেশ বাংলা অনলাইন 

