ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে ঢুকে নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান

ইরানের হামলায় ভূপাতিত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের দুই ক্রুর মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে ইরানে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

তবে এই অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর এটিই ইরানের হামলায় প্রথম মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা। এরপর থেকেই নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাকে খুঁজে পেতে ইরানের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। দুটি সামরিক হেলিকপ্টার এবং একটি নিম্নউড্ডয়নকারী জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান নিয়ে পরিচালিত ওই অভিযানে একজন ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে অভিযান চলাকালে হালকা অস্ত্র দিয়ে হামলার মুখে পড়ে মার্কিন বাহিনী।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ইরানের গুলিতে উভয় হেলিকপ্টারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে একটি ইরাকের আকাশসীমায় ফিরে যাওয়ার সময় ধোঁয়া ছড়াচ্ছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত সেটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
শুক্রবার রাত পর্যন্ত নিখোঁজ অপর ক্রুর অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় মিলিশিয়ারা ওই পাইলটকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি চালাচ্ছে। এমনকি তাকে আটক করতে ৬০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণার কথাও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, একই রাতে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি মার্কিন এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই বিমানের পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজ বিমানসেনার সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না, কারণ আমরা আশা করছি এমনটা ঘটবে না।”

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

ইরানে ঢুকে নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান

প্রকাশিত: ১২:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের হামলায় ভূপাতিত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের দুই ক্রুর মধ্যে একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে ইরানে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

তবে এই অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের আকাশসীমায় একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর এটিই ইরানের হামলায় প্রথম মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা। এরপর থেকেই নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাকে খুঁজে পেতে ইরানের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। দুটি সামরিক হেলিকপ্টার এবং একটি নিম্নউড্ডয়নকারী জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান নিয়ে পরিচালিত ওই অভিযানে একজন ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে অভিযান চলাকালে হালকা অস্ত্র দিয়ে হামলার মুখে পড়ে মার্কিন বাহিনী।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ইরানের গুলিতে উভয় হেলিকপ্টারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে একটি ইরাকের আকাশসীমায় ফিরে যাওয়ার সময় ধোঁয়া ছড়াচ্ছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত সেটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
শুক্রবার রাত পর্যন্ত নিখোঁজ অপর ক্রুর অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় মিলিশিয়ারা ওই পাইলটকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি চালাচ্ছে। এমনকি তাকে আটক করতে ৬০ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণার কথাও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, একই রাতে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি মার্কিন এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই বিমানের পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজ বিমানসেনার সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না, কারণ আমরা আশা করছি এমনটা ঘটবে না।”