ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের উপসাগরীয় সব বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে এই অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, বিশ্বের যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর এই অবরোধ কার্যকর হবে। ইরানের বন্দরের দিকে যাওয়া বা সেখান থেকে আসা সব জাহাজকে পথিমধ্যে আটক, গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য কিংবা জব্দ করা হতে পারে।

তবে উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই অবরোধ প্রযোজ্য হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সব জাহাজের ওপর এই অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কেউ প্রবেশ বা বের হওয়ার চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। বাহিনীটির এক মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ ও ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয় এবং শত্রুপক্ষের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে হয়ে থাকে। ফলে এই অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

ইরানের উপসাগরীয় সব বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত: ০৯:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে এই অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, বিশ্বের যে কোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজের ওপর এই অবরোধ কার্যকর হবে। ইরানের বন্দরের দিকে যাওয়া বা সেখান থেকে আসা সব জাহাজকে পথিমধ্যে আটক, গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য কিংবা জব্দ করা হতে পারে।

তবে উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই অবরোধ প্রযোজ্য হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর পূর্বে আরব সাগরে অবস্থানরত সব জাহাজের ওপর এই অবরোধ আরোপ করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কেউ প্রবেশ বা বের হওয়ার চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। বাহিনীটির এক মুখপাত্র সতর্ক করে বলেন, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ ও ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয় এবং শত্রুপক্ষের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে হয়ে থাকে। ফলে এই অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।