ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমাকে ছাড়া ইসরায়েল টিকত না” — ট্রাম্পের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার ভূমিকা না থাকলে অনেক আগেই অস্তিত্ব সংকটে পড়ত ইসরায়েল। এমনকি তিনি বলেন, তার মতো পদক্ষেপ নিতে অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রস্তুত ছিলেন না, ফলে তাকে ছাড়া ইসরায়েলের টিকে থাকাও কঠিন হতো।
জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া ইসরায়েল টিকে থাকতে পারত না এবং সেই সমর্থন নিশ্চিত করতে তার ব্যক্তিগত ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের ভাষ্য, তিনি সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলে বহু আগেই ইসরায়েল মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়ত। এ কারণে দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় নিজের অবদানকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান ট্রাম্প। বিশেষ করে লেবাননে ধারাবাহিক হামলা চলতে থাকলে বিদ্যমান শান্তি চুক্তি বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
লেবাননের অতীতের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, একসময় দেশটি শিক্ষক, চিকিৎসক ও আইনজীবীদের জন্য পরিচিত ছিল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মেধাবী মানুষের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতো। তবে বর্তমানে দেশটির সামগ্রিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে রোববার এক টেলিফোন আলাপে নেতানিয়াহুর বিচারবোধ নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। তার এ মন্তব্য দুই নেতার সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

আমাকে ছাড়া ইসরায়েল টিকত না” — ট্রাম্পের দাবি

প্রকাশিত: ০৭:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার ভূমিকা না থাকলে অনেক আগেই অস্তিত্ব সংকটে পড়ত ইসরায়েল। এমনকি তিনি বলেন, তার মতো পদক্ষেপ নিতে অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রস্তুত ছিলেন না, ফলে তাকে ছাড়া ইসরায়েলের টিকে থাকাও কঠিন হতো।
জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া ইসরায়েল টিকে থাকতে পারত না এবং সেই সমর্থন নিশ্চিত করতে তার ব্যক্তিগত ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের ভাষ্য, তিনি সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলে বহু আগেই ইসরায়েল মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়ত। এ কারণে দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় নিজের অবদানকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান ট্রাম্প। বিশেষ করে লেবাননে ধারাবাহিক হামলা চলতে থাকলে বিদ্যমান শান্তি চুক্তি বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
লেবাননের অতীতের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, একসময় দেশটি শিক্ষক, চিকিৎসক ও আইনজীবীদের জন্য পরিচিত ছিল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মেধাবী মানুষের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হতো। তবে বর্তমানে দেশটির সামগ্রিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে রোববার এক টেলিফোন আলাপে নেতানিয়াহুর বিচারবোধ নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। তার এ মন্তব্য দুই নেতার সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।