ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ত্র ও ইয়াবা মামলার বোঝা নিয়ে আত্মসমর্পণ

 আত্মসমর্পণের জন্য প্রস্তুত ইয়াবা কারবারিরা। কক্সবাজার পুলিশ লাইন থেকে চলে এসেছেন টেকনাফ পাইলটবজ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আত্মসমর্পণের জন্য মঞ্চে উঠবেন তারা।তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, আত্মসমর্পণকারী এই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন প্রক্রিয়ায় কয়টি মামলা দাঁড় করাবে প্রশাসন।

প্রথমে কোনো মামলা দেওয়ার কথা না থাকলেও শেষ পর্যন্ত ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ইয়াবা মিলে মোট দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আত্মসমর্পণের দিনই তাদের নামে দুটি মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। একটি ইয়াবা মামলা, অন্যটি অস্ত্র আইনে।

তবে দুটি মামলার ক্ষেত্রেই সরকারি আইনি সহায়তা পেতে যাচ্ছে ইয়াবা কারবারিরা।

সূত্র জানায়, আত্মসমর্পণের অপেক্ষায় থাকা ইয়াবা কারবারিদের প্রায় সবার নামেই রয়েছে মাদক মামলা। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন আবদুর রহমান বদির বড় ভাই শুক্কুর আলী। তার নামে ২০টি মাদক মামলা।

টেকনাফের স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ শুক্কুর আলীর হাত ধরেই টেকনাফে ইয়াবা ব্যবসার গোড়াপত্তন ঘটে। বিপুল পরিমাণ অর্থবিত্তের মালিক শীর্ষ এই ইয়াবা গডফাদার দীর্ঘদিন দুবাই ছিলেন। সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর আত্মসমর্পণ করতে সপ্তাহখানেক আগে দেশে ফেরেন।

এতকিছুর পরও থামানো যায়নি এই মরণনেশার কারবার। শেষ পর্যন্ত ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি তাদের আত্মসমর্পণ করিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। প্রথমবারের মতো শনিবার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের আইজিপির উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে টেকনাফের ১০২ ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও

অস্ত্র ও ইয়াবা মামলার বোঝা নিয়ে আত্মসমর্পণ

প্রকাশিত: ১১:৪৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

 আত্মসমর্পণের জন্য প্রস্তুত ইয়াবা কারবারিরা। কক্সবাজার পুলিশ লাইন থেকে চলে এসেছেন টেকনাফ পাইলটবজ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আত্মসমর্পণের জন্য মঞ্চে উঠবেন তারা।তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, আত্মসমর্পণকারী এই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন প্রক্রিয়ায় কয়টি মামলা দাঁড় করাবে প্রশাসন।

প্রথমে কোনো মামলা দেওয়ার কথা না থাকলেও শেষ পর্যন্ত ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও ইয়াবা মিলে মোট দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আত্মসমর্পণের দিনই তাদের নামে দুটি মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। একটি ইয়াবা মামলা, অন্যটি অস্ত্র আইনে।

তবে দুটি মামলার ক্ষেত্রেই সরকারি আইনি সহায়তা পেতে যাচ্ছে ইয়াবা কারবারিরা।

সূত্র জানায়, আত্মসমর্পণের অপেক্ষায় থাকা ইয়াবা কারবারিদের প্রায় সবার নামেই রয়েছে মাদক মামলা। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন আবদুর রহমান বদির বড় ভাই শুক্কুর আলী। তার নামে ২০টি মাদক মামলা।

টেকনাফের স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ শুক্কুর আলীর হাত ধরেই টেকনাফে ইয়াবা ব্যবসার গোড়াপত্তন ঘটে। বিপুল পরিমাণ অর্থবিত্তের মালিক শীর্ষ এই ইয়াবা গডফাদার দীর্ঘদিন দুবাই ছিলেন। সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর আত্মসমর্পণ করতে সপ্তাহখানেক আগে দেশে ফেরেন।

এতকিছুর পরও থামানো যায়নি এই মরণনেশার কারবার। শেষ পর্যন্ত ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি তাদের আত্মসমর্পণ করিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। প্রথমবারের মতো শনিবার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের আইজিপির উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে টেকনাফের ১০২ ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে