ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবার ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল ইরান

ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ–৪’-এর অংশ হিসেবে চালানো এ হামলায় প্রথমবারের মতো শক্তিশালী ‘সিজ্জিল’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির দাবি, এটি ছিল অভিযানের ৫৪তম দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এ হামলায় শুধু সিজ্জিল নয়, ভারী ‘খোররামশাহর’ ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করা হয়েছে, যার ওয়ারহেডের ওজন প্রায় দুই টন। পাশাপাশি ‘খেইবার শেকান’, ‘কদর’ এবং ‘ইমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের কমান্ড সেন্টার, সামরিক অবকাঠামো এবং সেনা অবস্থানগুলো।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ‘সিজ্জিল’ একটি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে ইসরায়েলের তেল আবিব পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় সাত মিনিটে অতিক্রম করতে সক্ষম।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা আরেক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সংকেত শনাক্ত করেছে। আগের হামলার খবর প্রকাশের দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই নতুন এই হামলা চালানো হয়।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথমবার ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করল ইরান

প্রকাশিত: ১০:৩১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ–৪’-এর অংশ হিসেবে চালানো এ হামলায় প্রথমবারের মতো শক্তিশালী ‘সিজ্জিল’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির দাবি, এটি ছিল অভিযানের ৫৪তম দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এ হামলায় শুধু সিজ্জিল নয়, ভারী ‘খোররামশাহর’ ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করা হয়েছে, যার ওয়ারহেডের ওজন প্রায় দুই টন। পাশাপাশি ‘খেইবার শেকান’, ‘কদর’ এবং ‘ইমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের কমান্ড সেন্টার, সামরিক অবকাঠামো এবং সেনা অবস্থানগুলো।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ‘সিজ্জিল’ একটি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে ইসরায়েলের তেল আবিব পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় সাত মিনিটে অতিক্রম করতে সক্ষম।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা আরেক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সংকেত শনাক্ত করেছে। আগের হামলার খবর প্রকাশের দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই নতুন এই হামলা চালানো হয়।