
লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের মাইজবিলা পুর্ব পাড়া এলাকায় টয়লেট থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে স্বজনেরা। ঘটনার পর তাৎক্ষণিক স্ত্রীর মৃতদেহ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে রেখে স্বামী জিয়াউর রহমান পালিয়ে যায়। ঘটনার দিন নিহতের শ্বাশুড়ি ওই এলাকার মৃত এনায়েত উল্লাহর স্ত্রী রাজিয়া বেগম(৫৫) কে আটক করেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের মা রিজিয়া বেগম বাদী হয়ে শ্বাশুড়ি রাজিয়া বেগম ও তার ছেলে জিয়াউর রহমাসের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করা হয়। যাহার মামলা নং ৫১।
জানা গেছে , গতকাল রাত ৮টার দিকে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ফরজানা আকতার কলি(২২) কে টয়লেটে দেখতে পান তার শ্বাশুড়ি।পরে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সেে নিয়ে এসে তার স্বামী তার মৃতদেহ রেখে পালিয়ে যায়।
নিহতের মা রাজিয়া বেগম কান্নাজনিত কন্ঠে জানান, স্বামী ও শ্বাশুড়ি মিলে আমার মেয়ে কলিকে মেরে ফেলেছে । আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
পুলিশ ও হাসপাতাল সুত্রে ধারণা, নিহত গৃহবধুর গলায় আঘাত চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটা আত্নহত্যা না, এটা পরিকল্পিত হত্যা।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, গৃহবধু কলি নিহতের ঘটনায় তার মা রাজিয়া রেগম বাদী হয়ে শ্বাশুড়ি ও স্বামীকে আসামী করে হত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের শ্বাশুড়ি রিজিয়া বেগমকে আটক করা হয়। নিহতের স্বামী জিয়াউর রহমান পলাতক রয়েছে।তাকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 


