ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশখালীতে এসিল্যান্ডের অভিযানঃ ৫টি কম্পিউটার জব্দ,সনদ জালিয়াতির ৪সদস্য আটক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক,দেশবাংলা ডট নেটঃ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা সদরে সনদ জালিয়াতি তৈরি চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ৫টি কম্পিউটার জব্দ করা হয়।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ভ্রাম্যমান এ আদালদ পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুর রহমান।

আটককৃতরা হলেন, বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সামনে এলাহি কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাট এর মালিক জালার আহামদ, জয় ও বিজয় কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাটের মো. আজিম ও মো. বেলাল উদ্দিন, মাতৃ কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাট এর মো. জসিম উদ্দিন এবং প্রিয়ংকা কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাট এর মো. সাহাব উদ্দিন।
জানা যায়, বাঁশখালী সমাজসেবা অফিসে নতুন বয়স্ক ভাতা নিবন্ধনে যারা মৃত্যু বরণ করছে সেগুলো প্রতিস্থাপনকালে ১০৯ জনের তালিকায় বেশ কয়েকটি এনআইডি কার্ডসহ বিভিন্ন সনদ সন্দেহ হলে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুল ইসলামকে প্রধান ও নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল আলম এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানকে সদস্য করা হয়।
বুধবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ও নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল আলম এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান ও থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বাঁশখালী উপজেলা সদরে ৭টি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকানে অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ৫টি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকানের কম্পিউটারে চেক করে বাঁশাখালী মেডিকেলের প্রেসক্রিপশন, জন্ম নিবন্ধন, উম্মোক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট, পিএসসি সার্টিফিকেট, পৌরসভা মেয়রের নাগরিকত্ব সনদ, চেয়ারম্যান সনদ, ওয়ারিস সনদসহ বিভিন্ন জালিয়তির ডুকুমেন্ট পাওয়া যায়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুর রহমান বলেন, জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে সকার থেকে ৭টি দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫টি কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাডের দোকানে বিভিন্ন জাল সনদ তৈরি আলামত পাওয়া যাওয়ায় ৪ দোকানীকে আটক করে থানায় সোপার্দ করা হয়। পেশকার দেবাশীষ দাশকে বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া আটক জালাল আহমদ সবার সামনে সমাজ সেবা অফিসের তিন জন জড়িত আছে মর্মে অকপটে স্বীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার বলেন, এসব জালিয়াতির সাথে সমাজসেবা কর্মকর্তার তিনজন কর্মচারী জড়িত রয়েছেন জানা গেছে। জালিয়াতির অভিযোগে জড়িত ৪ জনকে আটক করে ৫ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে। জালিয়াতি চক্রে যারা জড়িত থাকবে তাদের কাউকে ছাগ দিবেনা বলেও জানান তিনি।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

সাতকানিয়ায় রাত ৮টায় দোকান বন্ধের নির্দেশনা উপেক্ষিত

বাঁশখালীতে এসিল্যান্ডের অভিযানঃ ৫টি কম্পিউটার জব্দ,সনদ জালিয়াতির ৪সদস্য আটক

প্রকাশিত: ০৬:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০

 

নিজস্ব প্রতিবেদক,দেশবাংলা ডট নেটঃ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা সদরে সনদ জালিয়াতি তৈরি চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ৫টি কম্পিউটার জব্দ করা হয়।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ভ্রাম্যমান এ আদালদ পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুর রহমান।

আটককৃতরা হলেন, বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সামনে এলাহি কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাট এর মালিক জালার আহামদ, জয় ও বিজয় কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাটের মো. আজিম ও মো. বেলাল উদ্দিন, মাতৃ কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাট এর মো. জসিম উদ্দিন এবং প্রিয়ংকা কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাট এর মো. সাহাব উদ্দিন।
জানা যায়, বাঁশখালী সমাজসেবা অফিসে নতুন বয়স্ক ভাতা নিবন্ধনে যারা মৃত্যু বরণ করছে সেগুলো প্রতিস্থাপনকালে ১০৯ জনের তালিকায় বেশ কয়েকটি এনআইডি কার্ডসহ বিভিন্ন সনদ সন্দেহ হলে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুল ইসলামকে প্রধান ও নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল আলম এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানকে সদস্য করা হয়।
বুধবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ও নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল আলম এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান ও থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বাঁশখালী উপজেলা সদরে ৭টি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকানে অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ৫টি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকানের কম্পিউটারে চেক করে বাঁশাখালী মেডিকেলের প্রেসক্রিপশন, জন্ম নিবন্ধন, উম্মোক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট, পিএসসি সার্টিফিকেট, পৌরসভা মেয়রের নাগরিকত্ব সনদ, চেয়ারম্যান সনদ, ওয়ারিস সনদসহ বিভিন্ন জালিয়তির ডুকুমেন্ট পাওয়া যায়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতিকুর রহমান বলেন, জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে সকার থেকে ৭টি দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫টি কম্পিউটার এন্ড ফটোস্ট্যাডের দোকানে বিভিন্ন জাল সনদ তৈরি আলামত পাওয়া যাওয়ায় ৪ দোকানীকে আটক করে থানায় সোপার্দ করা হয়। পেশকার দেবাশীষ দাশকে বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া আটক জালাল আহমদ সবার সামনে সমাজ সেবা অফিসের তিন জন জড়িত আছে মর্মে অকপটে স্বীকার করেন।
উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী অফিসার মোমেনা আক্তার বলেন, এসব জালিয়াতির সাথে সমাজসেবা কর্মকর্তার তিনজন কর্মচারী জড়িত রয়েছেন জানা গেছে। জালিয়াতির অভিযোগে জড়িত ৪ জনকে আটক করে ৫ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে। জালিয়াতি চক্রে যারা জড়িত থাকবে তাদের কাউকে ছাগ দিবেনা বলেও জানান তিনি।