
লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
নেজাম উদ্দিন।তার বাড়ি লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ সুখছড়ি গ্রামের সুন্নীয়া পাড়া এলাকায়। পেশায় গাড়ি চালক। গত ৭মাস পুর্বে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসের পরামর্শে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করেন।২০২৪ সালের ১৩জানুয়ারি দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ০১৮৭৭১২৬২৪৪ থেকে নেজামের মোবাইলে ০১৮৫৮৪৫৩০৪২ কল দেন। নিজেকে পরিচয় দেন বড় জ্যোতিষী (বৈদ্য)। অনেকক্ষণ কথা বলার সময় নেজাম ও তার স্ত্রী নাছিমা আকতার তাকে বিশ্বাস করে ফেলে। নেজামের পায়ের সমস্যা ফু দিয়ে সমাধান করে দেওয়ার পরামর্শ দিলে উক্ত নাম্বারে প্রথম ধাপে ৫হাজার টাকা,দ্বিতীয় ধাপে ২৫হাজার, তৃতীয় ধাপে ২০হাজার, নগদ ০১৭৩৩৭৮২৬০০ এ নাম্বারে ৪র্থ ধাপে ২৫হাজার, ৫ম ধাপে ১৩হাজার ৩৫০ টাকা তার মেয়ের স্বর্ণালংকার বিক্রি করে সর্বমোট ২০হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় ওই বৈদ্য নামের প্রতারক চক্র। তারপরও নেজামের চিকিৎসা ভাল করে দেয়নি। পরবর্তীতে টাকা চাইলে সন্দেহ হলে উক্ত নাম্বারে কল লিস্ট আইডি কার্ড বের করে তারা। এ বৈদ্য নামের প্রতারকের নাম হাবিবুর রহমান। বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ গাইবান্দা।অসুস্থ নেজামের স্ত্রী নাছিমা আকতার জ্যোতিষী নামে প্রতারক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।এ ব্যাপারে নেজামের স্ত্রী নাছিমা আকতার জানান, আমার স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে ট্রমা অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ কে দেখায়। তার পরামর্শে ঔষধ সেবন করতে থাকে। হঠাৎ একদিন আমার স্বামীর নাম্বারে কল দিয়ে হাবিব নামে লোকটি নিজেকে বড় বৈদ্য( জ্যোতিষী) পরিচয় দেয়। আম্মা আম্মা বলে কল দিয়ে বিরক্ত করে আমার স্বামীর অসুখের বিষয়ে জানতে চেয়ে অসুখ ভাল করে দেওয়ার নামে বিকাশের মাধ্যমে ৪লাখ টাকার মত হাতিয়ে নেয়। আমি সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসনের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছি।লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ রাশেদুল ইসলাম জানান, বৈদ্যর প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তথ,প্রযুক্তির মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এসআই পারভেজকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে তিনি নিজেকে হাবিবুর রহমান নয় বলে লাইনটা কেটে দেন।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 

