
লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের ওমর আলী মহাজন মসজিদের মোতাওয়াল্লী মো: আলমগীর সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চরম্বাবসীর উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাসটি পোস্ট হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
আলমগীরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়ষন্ত্রের মাধ্যমে উঠে পড়ে লেগেছে।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলমগীরের আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলো.
প্রিয় চরম্বাবাসী ও ফেইসবুক বন্ধুগন আচ্ছালামু আলাইকুম।
আমি সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি ওমর আলী মহাজন মসজিদের সরকার নিযুক্ত মোতায়ল্লী হই।উক্ত মসজিদটি দীর্ঘ ১৫০/২০০ বছর আগে বাইয়ার পাড়ার পূর্ব পুরুষ তথা গুলবানু ও লালখান বিবি সাত কানি জমি দান করে তাদের স্বামীকে মোতায়াল্লী নির্ধারন করে জমি রেজিষ্ট্রি প্রদান করেন। তাদের শাসন আমল শেষ হওয়ার পর আমার দাদা মৃত ইয়াকুব মিয়াজি মোতায়াল্লী নিযুক্ত হন।আমার দাদার আমলে কথিত কিছু লোক যারা বর্তমানে ষড়যন্ত্রকারীর বাপ ও দাদা সবসময় আমার দাদার উপর নির্যাতন করতেন এবং মসজিদ কমিটি দখল করে প্রচুর টাকা আত্মসাদ করেন।পরে আমার দাদা তৎকালিন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বদিউল আলমের সাহায্যে তাকে সভাপতি করে মসজিদ কমিটি উদ্ধার করেন।পরে কিছুদিন নিরব থাকার পর বর্তমানে পুনরায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এই ঐতিহ্যবাহী মসজিদ কমিটির ভাবমূর্তি নষ্ট করার পায়তারা শুরু করেন। আমার দাদা বেছে থাকা অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহমদ মিয়ার উপস্থিতিতে একটি ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন উক্ত কমিটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মসজিদটি পরিচালনা করে অনেক উন্নয়ন সাধন করেন।কমিটির সব লোক ভালো মানুষ যোগ্য লোক ছিল ঐ কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিল বর্তমান মেম্বার আক্তার হেসেন দুর্নীতি যদি হয় কমিটির লোক আগে জানার কথা বাইরের লোক কেমনে জানবে। কমিটি নতুন একটা মসজিদ নির্মাণ করা আর মাঠে জায়গা ক্রয় করা ও পুকুরের অংশ ক্রয় করা, পায়খানা বড় করার জন্য জমি ক্রয় করা আরো অনেক কাজ করা থেকে বর্তমানে অনেক কাজ নির্মাণাধীন আছে। কিছু লোক তাদের কোন কাজ নাই শুধু শুধু মানুষের সমালোচনা করা ছাড়া এমনকি আল্লাহর ঘরের সম্মান নষ্ট করতে উঠেপড়ে লেগেছে। ষড়যন্ত্র করে তাদের বাপ ও দাদার মতো লুটপাট করে খাওয়ার পায়তারা করছে আর আমার সাথে ষড়যন্ত্র করতেছে।ষড়যন্ত্র করে মাননীয় এম পি মহোদয়, মাননীয় উপজেলা চেয়ারম্যান এবং মাননীয় ইউ এন ও কাছে গিয়ে ও আশ্রয় পাই নি।তাই আমি ও আমার কমিটির বদনাম করে সুনাম নষ্ট করছে।উক্ত কমিটির সভাপতির রাজনৈতিক পরিচয় কেন তুলে ধরা হয়েছে এগুলো সব মিথ্যা বানোয়াট ও আমার পরিবারের সম্মান হানি করার জন্য উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে মিথ্যাচার করছে কিছু অসাধু লোক আমি এর নিন্দা জানাচ্ছি।তাই চরম্বাবাসীর কছে অনুরোধ জানাচ্ছি অসৎ লোকের কথা না শুনে সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষন করার অনুরোধ রইলো।
ইতি
মোহাম্মদ আলমগীর
প্রসিদ্ধ চরম্বা মহাজন জামে মসজিদের মোতায়াল্লী
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 


