ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল’

আগামী ৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

ইসি সচিব বলেন, ‘৩০ অক্টোবর কাউন্ট-ডাউন শুরু হবে। তারপর যেকোনও সময় তফসিল হবে। তবে, কবে হবে—তা নির্ধারণ করবে কমিশন।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের ভোটার তালিকার সিডি প্রস্তুত হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এগুলো জেলা-উপজেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তারপর সেখানে এগুলো মুদ্রণ হবে।’

হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ৩০০ আসনের সীমনা নির্ধারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আমরা সেটা সম্পন্ন করতে পেরেছি। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। ভোটকেন্দ্রর খসড়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে। নির্বাচনের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং অফিসারসহ এবারের জাতীয় নির্বাচনে ৭ লাখের মতো কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রয়োজন হবে।’
খসড়া ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪০ হাজার ৯৯টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা ২লাখ ৬হাজার ৫৪০টির মতো বলেও জানান ইসি সচিব।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

‘৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল’

প্রকাশিত: ০২:০৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আগামী ৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

ইসি সচিব বলেন, ‘৩০ অক্টোবর কাউন্ট-ডাউন শুরু হবে। তারপর যেকোনও সময় তফসিল হবে। তবে, কবে হবে—তা নির্ধারণ করবে কমিশন।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের ভোটার তালিকার সিডি প্রস্তুত হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এগুলো জেলা-উপজেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তারপর সেখানে এগুলো মুদ্রণ হবে।’

হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ৩০০ আসনের সীমনা নির্ধারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আমরা সেটা সম্পন্ন করতে পেরেছি। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। ভোটকেন্দ্রর খসড়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে। নির্বাচনের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং অফিসারসহ এবারের জাতীয় নির্বাচনে ৭ লাখের মতো কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রয়োজন হবে।’
খসড়া ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪০ হাজার ৯৯টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা ২লাখ ৬হাজার ৫৪০টির মতো বলেও জানান ইসি সচিব।