ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০দিন পরে সন্তানকে ফিরে পেলো মা, পাশে দাঁড়ালেন সমাজকর্মী আরমান বাবু রোমেল

 

লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ

মোঃ মীমতাজ(১২)। তার পিতার নাম মুহাম্মদ ইউসুফ। তার বাড়ী চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুমিরাঘোনা এলাকায়। গত ১০দিন ধরে মীমতাজ নিঁখোজ। এদিক-সেদিক সন্তানকে খুজে বেড়াচ্ছিল তার মা। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পুরাতন থানাস্হ এলাকায় মোঃ মীমতাজ(১২) নামে এক শিশু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ডায়াবেটিক হাসাপাতালের প্রতিষ্ঠাতা আরমান বাবু রোমেল তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তার পরিবারের কাছে শিশুটি ফিরে পাওয়ার জন্য পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার নিঁখোজের বিষয়টি সংবাদ প্রকাশিত হয়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের খবর পেয়ে ডায়াবেটিস হাসপাতালে তার মা চলে আসেন। দুইদিন ধরে ডায়াবেটিস হাসপাতালে তার চিকিৎসা করান।

অবশেষে লোহাগাড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সমাজকর্মী মুহাম্মদ আরমান বাবু রোমেলের স্ব-উদ্যোগে নিঁখোজ হওয়া শিশুটি ফিরে পেলো তার মা।

১১ ডিসেম্বর সকালে মীমতাজকে তার মা জেসমিন আকতারের হাতে তুলে দেন।
এসময় শিশুটির অসহায়ত্বের অবস্হা দেখে সমাজকর্মী মুুহাম্মদ আরমান বাবু রোমেলের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ, কম্বল, কাপড়, ফলমূল তার উপহার প্রদান করা হয়।

শিশুটি মা জেসমিন আকতার জানান,আমার ছেলে বাড়ী থেকে ১০ দিন ধরে নিঁখোজ। অনেক খুঁজাখুঁজি করছি। সমাজকর্মী আরমান বাবুর আন্তরিকতার কারণে আমার ছেলেকে আমি ফিরে পেয়েছি।মহান আল্লাহর দরবারে তার জন্য দু`হাত তুলে দোয়া করছি। তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আমি হাসপাতাল থেকে চলে আসার সময় নগদ অর্থ, কম্বল, কাপড়, ফলমূল উপহার দিয়েছেন। আমাকেও একটি প্রতিবন্ধী কার্ড ব্যবস্হা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

সমাজকর্মী মুহাম্মদ আরমান বাবু রোমেল জানান,অসহায় মানুষের কল্যাণে কিছু করতে পারলে নিজেকে অনেক গর্ববোধ মনে করি। মানবসেবার জন্য হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাতা করেছি। ১০দিন ধরে মীমতাজ নামে এক শিশু নিঁখোজ ছিল। গতকাল শিশুটি আমাদের হাসপাতালের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে আমার হাসপাতালে ভর্তি করে যাবতীয় তার সুচিৎসার ব্যবস্হা গ্রহণ করি। চিকিৎসা সেবা শেষ করে হাসপাতাল থেকে যাওয়ার সময় তার পরিবারকে নগদ অর্থ, কম্বল, কাপড়, ফলমূল উপহার প্রদান করি । ছেলের মা জেসমিন শারীরিক প্রতিবন্ধী।তাকে একটি প্রতিবন্ধী কার্ডের ব্যবস্হা করে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

লোহাগাড়ায় অস্ত্রের মুখে ডাকাতি! লুট করে নিয়ে গেছে স্বর্ণালঙ্কারসহ ১৮ লাখ টাকা

১০দিন পরে সন্তানকে ফিরে পেলো মা, পাশে দাঁড়ালেন সমাজকর্মী আরমান বাবু রোমেল

প্রকাশিত: ০২:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১

 

লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ

মোঃ মীমতাজ(১২)। তার পিতার নাম মুহাম্মদ ইউসুফ। তার বাড়ী চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুমিরাঘোনা এলাকায়। গত ১০দিন ধরে মীমতাজ নিঁখোজ। এদিক-সেদিক সন্তানকে খুজে বেড়াচ্ছিল তার মা। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পুরাতন থানাস্হ এলাকায় মোঃ মীমতাজ(১২) নামে এক শিশু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ডায়াবেটিক হাসাপাতালের প্রতিষ্ঠাতা আরমান বাবু রোমেল তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তার পরিবারের কাছে শিশুটি ফিরে পাওয়ার জন্য পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার নিঁখোজের বিষয়টি সংবাদ প্রকাশিত হয়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের খবর পেয়ে ডায়াবেটিস হাসপাতালে তার মা চলে আসেন। দুইদিন ধরে ডায়াবেটিস হাসপাতালে তার চিকিৎসা করান।

অবশেষে লোহাগাড়া ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সমাজকর্মী মুহাম্মদ আরমান বাবু রোমেলের স্ব-উদ্যোগে নিঁখোজ হওয়া শিশুটি ফিরে পেলো তার মা।

১১ ডিসেম্বর সকালে মীমতাজকে তার মা জেসমিন আকতারের হাতে তুলে দেন।
এসময় শিশুটির অসহায়ত্বের অবস্হা দেখে সমাজকর্মী মুুহাম্মদ আরমান বাবু রোমেলের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ, কম্বল, কাপড়, ফলমূল তার উপহার প্রদান করা হয়।

শিশুটি মা জেসমিন আকতার জানান,আমার ছেলে বাড়ী থেকে ১০ দিন ধরে নিঁখোজ। অনেক খুঁজাখুঁজি করছি। সমাজকর্মী আরমান বাবুর আন্তরিকতার কারণে আমার ছেলেকে আমি ফিরে পেয়েছি।মহান আল্লাহর দরবারে তার জন্য দু`হাত তুলে দোয়া করছি। তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আমি হাসপাতাল থেকে চলে আসার সময় নগদ অর্থ, কম্বল, কাপড়, ফলমূল উপহার দিয়েছেন। আমাকেও একটি প্রতিবন্ধী কার্ড ব্যবস্হা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

সমাজকর্মী মুহাম্মদ আরমান বাবু রোমেল জানান,অসহায় মানুষের কল্যাণে কিছু করতে পারলে নিজেকে অনেক গর্ববোধ মনে করি। মানবসেবার জন্য হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাতা করেছি। ১০দিন ধরে মীমতাজ নামে এক শিশু নিঁখোজ ছিল। গতকাল শিশুটি আমাদের হাসপাতালের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে আমার হাসপাতালে ভর্তি করে যাবতীয় তার সুচিৎসার ব্যবস্হা গ্রহণ করি। চিকিৎসা সেবা শেষ করে হাসপাতাল থেকে যাওয়ার সময় তার পরিবারকে নগদ অর্থ, কম্বল, কাপড়, ফলমূল উপহার প্রদান করি । ছেলের মা জেসমিন শারীরিক প্রতিবন্ধী।তাকে একটি প্রতিবন্ধী কার্ডের ব্যবস্হা করে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।