
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় যুবক শাহাদাত হোসেনকে (৩২) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিহত শাহাদাত উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের উত্তর ঢেমশা এলাকার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় নিহতের মা ছায়েরা খাতুন বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মো. সাইফুল ইসলাম (৩১) এবং তদন্তে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন মো. ইসমাইলকে (২৭) গ্রেপ্তার করে।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে একাধিক দল কাজ করছে। ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত রোববার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে সাতকানিয়া মডেল মসজিদের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন শাহাদাত। এ সময় দুই থেকে চারটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে ১০ থেকে ১৫ জন মুখোশধারী ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে হামলাকারীদের ধরার চেষ্টা করলে তারা অস্ত্র উঁচিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শাহাদাতকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন 
