ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাতকানিয়ায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। খেলতে গিয়ে পানির গভীরে হারিয়ে গেল দুই নিষ্পাপ প্রাণ—মুসকান (৪) ও সাফওয়ান (দেড় বছর)। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সোনাকানিয়া ইউনিয়নের শামসু মেম্বার পাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সকালে বিয়ের আনন্দে ঘরজুড়ে ছিল কোলাহল। মুসকান মামার বাড়িতে এসেছে বেড়াতে, সঙ্গে খেলায় মেতেছিল মামাত ভাই সাফওয়ানের সঙ্গে। উঠানে খিলখিল হাসি ভেসে আসছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবার চারপাশে খুঁজতে থাকে। কিছুক্ষণ পর পুকুরের পানিতে ভেসে ওঠে দুই ছোট্ট দেহ।

“মুসকান, সাফওয়ান!”—ডেকে কেঁদে ওঠেন স্বজনেরা। তড়িঘড়ি করে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকের ঠান্ডা ঘোষণা ভেঙে দেয় সকল আশা—“ওরা আর নেই।”

মুহূর্তেই আনন্দঘন পরিবেশ ঢেকে যায় কান্নায়। মায়ের বুকফাটা আহাজারি, বাবার নিস্তব্ধ দাঁড়িয়ে থাকা আর স্বজনদের অশ্রুতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো গ্রাম।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সালাহ উদ্দিন বলেন,
বিয়ে উপলক্ষে নানার বাড়িতে বেড়াতে যায় মুসকান।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মুসকান ও তার মামাত ভাই সাফওয়ান বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে পুকুরে নামলে দুজনই পানিতে ডুবে যায়।
“এ শোক কোনো পরিবারের পক্ষেই সহ্য করার মতো নয়। দুটি ফুটফুটে প্রাণ এভাবে চলে গেল—এটা খুব কষ্টের।”

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

সাতকানিয়ায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত: ০৮:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ঘটেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। খেলতে গিয়ে পানির গভীরে হারিয়ে গেল দুই নিষ্পাপ প্রাণ—মুসকান (৪) ও সাফওয়ান (দেড় বছর)। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সোনাকানিয়া ইউনিয়নের শামসু মেম্বার পাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সকালে বিয়ের আনন্দে ঘরজুড়ে ছিল কোলাহল। মুসকান মামার বাড়িতে এসেছে বেড়াতে, সঙ্গে খেলায় মেতেছিল মামাত ভাই সাফওয়ানের সঙ্গে। উঠানে খিলখিল হাসি ভেসে আসছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবার চারপাশে খুঁজতে থাকে। কিছুক্ষণ পর পুকুরের পানিতে ভেসে ওঠে দুই ছোট্ট দেহ।

“মুসকান, সাফওয়ান!”—ডেকে কেঁদে ওঠেন স্বজনেরা। তড়িঘড়ি করে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকের ঠান্ডা ঘোষণা ভেঙে দেয় সকল আশা—“ওরা আর নেই।”

মুহূর্তেই আনন্দঘন পরিবেশ ঢেকে যায় কান্নায়। মায়ের বুকফাটা আহাজারি, বাবার নিস্তব্ধ দাঁড়িয়ে থাকা আর স্বজনদের অশ্রুতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো গ্রাম।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সালাহ উদ্দিন বলেন,
বিয়ে উপলক্ষে নানার বাড়িতে বেড়াতে যায় মুসকান।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মুসকান ও তার মামাত ভাই সাফওয়ান বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে পুকুরে নামলে দুজনই পানিতে ডুবে যায়।
“এ শোক কোনো পরিবারের পক্ষেই সহ্য করার মতো নয়। দুটি ফুটফুটে প্রাণ এভাবে চলে গেল—এটা খুব কষ্টের।”