ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতকানিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, অপরজনের শ্লীলতাহানি: গ্রেপ্তার ৪

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নবম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অষ্টম শ্রেণিপড়ুয়া ছাত্রী শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ৪ মৎস্য প্রজেক্টের শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত আরও তিন জন পলাতক রয়েছে।

আজ বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিন্দ্ধিপ্যা পাড়ার পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী শহিদের নালা এলাকায় মৎস্য প্রজেক্টের ৭ শ্রমিক মিলে ওই স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিন্দ্ধিপ্যা ওসমানের ছেলে মো. ছৈয়দ (১৫), শাহ আলামের ছেলে মো. রাকিব (২০), মো. নাছিরের ছেলে মো. মানিক ইসলাম (২০) ও আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুর রহিম (১৮)।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রী মিলে বুধবার বেলা ১১টার দিকে ছদাহা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফজুর পাড়া থেকে শহিদের নাল পাহাড়ি মৎস্য প্রজেক্ট এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখান থেকে তারা দুপুর ১২টার দিকে বাড়িতে ফিরে আসার সময় মৎস্য প্রজেক্টে কর্মরত ৭ শ্রমিক মিলে ২ ছাত্রীকে জোরপূর্বক পাহাড়ে নিয়ে যায়। এরপর তারা নবমশ্রেণি পড়ুয়া ওই স্কুল ছাত্রীকে পাহাড়ের গভীরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় অভিযুক্তরা অষ্টম শ্রেণিপড়ুয়া ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করেন এবং পাহাড়ের অপর প্রান্তে জোরপূর্বক আটকে রাখেন।

আরও জানা যায়, ওই দুই স্কুল ছাত্রী বাড়িতে ফিরে আসার পর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত ওই ৭ মৎস্য প্রজেক্টের শ্রমিককে খুঁজতে থাকেন। খবর পেয়ে একইদিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম স্থানীয়দের সহযোগিতায় পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। এ ছাড়াও বাকি ৩ জনের খোঁজে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়াও দুই স্কুল ছাত্রীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি ৩ জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

 

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

সাতকানিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, অপরজনের শ্লীলতাহানি: গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশিত: ১১:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নবম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অষ্টম শ্রেণিপড়ুয়া ছাত্রী শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ৪ মৎস্য প্রজেক্টের শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত আরও তিন জন পলাতক রয়েছে।

আজ বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিন্দ্ধিপ্যা পাড়ার পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী শহিদের নালা এলাকায় মৎস্য প্রজেক্টের ৭ শ্রমিক মিলে ওই স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিন্দ্ধিপ্যা ওসমানের ছেলে মো. ছৈয়দ (১৫), শাহ আলামের ছেলে মো. রাকিব (২০), মো. নাছিরের ছেলে মো. মানিক ইসলাম (২০) ও আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুর রহিম (১৮)।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রী মিলে বুধবার বেলা ১১টার দিকে ছদাহা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফজুর পাড়া থেকে শহিদের নাল পাহাড়ি মৎস্য প্রজেক্ট এলাকায় ঘুরতে যায়। সেখান থেকে তারা দুপুর ১২টার দিকে বাড়িতে ফিরে আসার সময় মৎস্য প্রজেক্টে কর্মরত ৭ শ্রমিক মিলে ২ ছাত্রীকে জোরপূর্বক পাহাড়ে নিয়ে যায়। এরপর তারা নবমশ্রেণি পড়ুয়া ওই স্কুল ছাত্রীকে পাহাড়ের গভীরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় অভিযুক্তরা অষ্টম শ্রেণিপড়ুয়া ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করেন এবং পাহাড়ের অপর প্রান্তে জোরপূর্বক আটকে রাখেন।

আরও জানা যায়, ওই দুই স্কুল ছাত্রী বাড়িতে ফিরে আসার পর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত ওই ৭ মৎস্য প্রজেক্টের শ্রমিককে খুঁজতে থাকেন। খবর পেয়ে একইদিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম স্থানীয়দের সহযোগিতায় পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। এ ছাড়াও বাকি ৩ জনের খোঁজে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়াও দুই স্কুল ছাত্রীকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি ৩ জনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।