ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাতকানিয়ার ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা

নিজস্ব সংবাদদাতা
মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান গত বৃহস্পতিবার সকালে সাতকানিয়ার ঐতিহ্যবাহী ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক আবু সুফিয়ান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দয়াল হরি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অভিভাবক সদস্য স্বপন কান্তি দাশ, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক অমল কান্তি বড়–য়া, সিনিয়র শিক্ষক তরুন কান্তি ধর, বৌধিরতন বড়–য়া, রনজিত কুমার বড়–য়া প্রমুখ। প্রধান অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল সালাম-বরকত-রফিক-জব্বাররা। তারা শান্তি-সমৃদ্ধির পথ দেখিয়ে মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে। মনে রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাতৃভাষার স্বীকৃতি অর্জন দেশের জন্য অনেক গৌরব ও সম্মানের। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি চিত্রাংকন ও দেশাত্ববোধক গান প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

সাতকানিয়ার ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা

প্রকাশিত: ০৮:০৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

নিজস্ব সংবাদদাতা
মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান গত বৃহস্পতিবার সকালে সাতকানিয়ার ঐতিহ্যবাহী ঢেমশা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক আবু সুফিয়ান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দয়াল হরি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অভিভাবক সদস্য স্বপন কান্তি দাশ, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক অমল কান্তি বড়–য়া, সিনিয়র শিক্ষক তরুন কান্তি ধর, বৌধিরতন বড়–য়া, রনজিত কুমার বড়–য়া প্রমুখ। প্রধান অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল সালাম-বরকত-রফিক-জব্বাররা। তারা শান্তি-সমৃদ্ধির পথ দেখিয়ে মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে। মনে রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাতৃভাষার স্বীকৃতি অর্জন দেশের জন্য অনেক গৌরব ও সম্মানের। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি চিত্রাংকন ও দেশাত্ববোধক গান প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।