ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাতকানিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গননা

কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। সাতকানিয়া চট্টগ্রাম-১৪ ও ১৫ আসন নিয়ে গঠিত। উপজেলার ১শ ২৬টি ভোট কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে একটানা বিকাল সাড়ে ৪ টায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এখন চলছে ভোগ গণনা এবং পরে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে ভোট গ্রহণ শেষে কেন্দ্রের আশেপাশে বাড়তে থাকে দলীয় সমর্থক ও ভোটারদের ভিড়। ফলাফল নিয়ে চরম উ ও উৎকণ্ঠায় থাকতে দেখা যায়।

ভোট পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রগুলোতে জোরদার হয়েছে সেনাবাহিনীর টহল।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, চট্টগ্রাম–১৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী শরীফুল আলম চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ (ধানের শীষ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) অধ্যাপক ওমর ফারুক (ছাতা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান ফারুকী (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচ.এম ইলিয়াছকে (আপেল)।

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের দুটি পৃথক ব্যালট পেপার দেওয়া হয়েছে। একটিতে সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীক এবং অন্যটিতে রয়েছে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন বা ‘জুলাই সনদ’ অনুমোদনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্র অনুযায়ী
চট্টগ্রাম-১৪ ও ১৫ আসনের সাতকানিয়া উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৬৭ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের প্রন্তুতি ছিলো। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন ছিলো। সেনাবাহিনী টহল টিমের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যরা বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করেন, যাতে প্রতিটি কার্যক্রম নথিবদ্ধ থাকে।‌
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোন ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে এবং নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

সাতকানিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গননা

প্রকাশিত: ০৩:১৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে। সাতকানিয়া চট্টগ্রাম-১৪ ও ১৫ আসন নিয়ে গঠিত। উপজেলার ১শ ২৬টি ভোট কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে একটানা বিকাল সাড়ে ৪ টায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এখন চলছে ভোগ গণনা এবং পরে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে ভোট গ্রহণ শেষে কেন্দ্রের আশেপাশে বাড়তে থাকে দলীয় সমর্থক ও ভোটারদের ভিড়। ফলাফল নিয়ে চরম উ ও উৎকণ্ঠায় থাকতে দেখা যায়।

ভোট পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রগুলোতে জোরদার হয়েছে সেনাবাহিনীর টহল।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, চট্টগ্রাম–১৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী শরীফুল আলম চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ (ধানের শীষ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) অধ্যাপক ওমর ফারুক (ছাতা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মৌ. মো. সোলাইমান ফারুকী (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচ.এম ইলিয়াছকে (আপেল)।

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের দুটি পৃথক ব্যালট পেপার দেওয়া হয়েছে। একটিতে সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীক এবং অন্যটিতে রয়েছে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন বা ‘জুলাই সনদ’ অনুমোদনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্র অনুযায়ী
চট্টগ্রাম-১৪ ও ১৫ আসনের সাতকানিয়া উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৬৭ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষে সব ধরনের প্রন্তুতি ছিলো। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন ছিলো। সেনাবাহিনী টহল টিমের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যরা বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করেন, যাতে প্রতিটি কার্যক্রম নথিবদ্ধ থাকে।‌
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোন ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে এবং নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।