
দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হতেই দোকান বন্ধ করে পালিয়ে গেছেন একাধিক এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি টের পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে কেরানীহাট বাজারের গ্যাসের দোকানগুলোতে নেমে আসে শাটার।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার দেওয়ানহাট ও কেরানীহাট বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুজ্জামান।
তিনি জানান, এলপি গ্যাস নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ কয়েক দিন ধরে আসছিল। ভোক্তাদের একাধিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে বাজারগুলোতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে কেরানীহাট বাজারে গ্যাস ব্যবসায়ী বশির আহমেদের দোকানে লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়ম ধরা পড়ে। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ থাকা এবং বিস্ফোরক অধিদপ্তরের অনুমোদন না থাকায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
তবে অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কেরানীহাট বাজারের অন্যান্য এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা দ্রুত দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যান।
এসি ল্যান্ড শামসুজ্জামান আরও বলেন, “গ্যাস একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে গিয়ে গ্যাস বিক্রি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবসায়ীদের আজ কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ভ্রাম্যমাণ আদালতের এমন তৎপরতায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভোক্তারা। তারা আশা করছেন, প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে এলপি গ্যাসের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রবণতা বন্ধ হবে।
মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন 



















