শহীদুল ইসলাম বাবর,দেশবাংলা.নেট
উপজেলা নির্বার্চনের দিনক্ষন ঘোষনা হওয়ার পর থেকে সাতকানিয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংখ্যা বাড়ছে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অনুসারী নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজ সমর্থিত নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য শীর্ষ নেতাদের দৃষ্টি আর্কষণ করছে। আবার অনেক নেতা সাটিয়েছেন বিশাল বিল বোর্ড়। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে বিএনপি এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আওতায় কোন ধরনের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষনা দেওয়ায় দলীয় মনোনয়ন পেলেই বিজয় নিশ্চিত হিসেবে ধরে নিয়ে দলীয় মনোননের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নেতারা। জানা যায়, বর্তমানে সাতকানিয়ায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের জন্য চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী,সাতকানিয়া আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন, স্বাধিনতা চিকিৎসক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মোনাফ, সাতকানিয়া আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাষ্টার ফরিদুল আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তাক আহমদ আঙ্গুর ও চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবু ছালেহ। এদিকে রবিবার আন্দরকিল্লাস্থ চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগ কার্যলয়ে প্রার্থী নির্ধানের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। উক্ত সভা থেকে সম্ভাব্য তিন জনের নাম প্রেরণ করা হবে কেন্দ্রে।
সূত্রে প্রকাশ, ২০০৯ সালে প্রথম বারের মত অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সর্মথিত প্রার্থী ডাক্তার নুরুল হককে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মোনাফ। ২০১৪ সালের ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ নির্বাচনে কারা বন্দী থাকা অবস্থায় ৬৪ হাজার ৬শ ২৭ ভোট পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী জসীম উদ্দীন। তার বিপরীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুল আফসার চৌধুরী পান ৪৫ হাজার ৮ শত ৪০ ভোট। আর ২৯ হাজার ৩শ ৩৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক শেখ মোঃ মহিউদ্দিন। জানা যায়, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী,সাতকানিয়া আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন, স্বাধিনতা চিকিৎসক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মোনাফ, সাতকানিয়া আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাষ্টার ফরিদুল আলম, সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক গোলাম ফারুক ডলার, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তাক আহমদ আঙ্গুর ও চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবু ছালেহ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। ইতিমধ্যে তাদের কর্মী সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজ নিজ সমর্থিত নেতাদের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে স্ট্যাটাস পোষ্ট দিচ্ছেন। মনোনয়নের বিষয়ে জানতে চাইলে নুরুল আবসার চৌধুরী বলেন, গত নির্বাচনে আমার নিজ কেন্দ্রে আরেকজন আওয়ামীলীগ সর্মথিত আরো একজন (এ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব চৌধুরী) প্রার্থী ছিল। তার পরেও আমি অনেক ভোট পেয়েছি। এবারে দলীয় মনোনয়ন পেলে অবশ্যই বিজয়ী হব বলে আমার বিশ্বাস। সাম্প্রতিক সময়ে তার সাথে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কথা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নেত্রী আমাকে উপজেলা নির্বাচনে কাজ শুরু করার জন্য প্রাথমিক ভাবে বলেছেন। আমিও কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। অপর প্রার্থী কুতুব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি দলের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তৃনমুলকে সংগঠিত করেছি। আমি সাধারন সম্পাদক থাকাবস্থায় সবকটি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছে। আমি দলীয় মনোনয়ন পেলে বিজয় নিশ্চিত বলে আমি মনে করি।
প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম ফারুক ডলার বলেন, সাতকানিয়ায় আমরাই আওয়ামীলীগের বীজ বপন করেছিলাম। অনেক নেতা আছে যারা প্রতিটা ইউনিয়নের সামনের সারির নেতাদের নামও জানে না কিন্তু আমি ব্যতিক্রম। নৌকার মনোনয়ন পেলে কোন শক্তি আমার বিজয় ঠেকাতে পারবে না কারণ আমার যথেষ্ট জনসমর্থন ও পরিচিতি রয়েছে। মাষ্টার ফরিদুর আলম আলম বলেন, আমি দীর্ঘ দুই যুগের কাছাকাছি সময় পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সবকটি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালক ও সচিবের দায়িত্ব পালন করেছি। কোন কেন্দ্রে কি অবস্থা তার আমার কাছে মুখস্থ। আমি এবার নির্বাচন পরিচালক নয়, চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন চাই
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 
























