
সাতকানিয়া প্রতিনিধি,দেশবাংলা ডটনেট
মো:ইউসুফ সাতকানিয়ায় “ইসুফ বদ্দা,ইসুফ মৌ” নামে সবাই চিনতো। সাতকানিয়া পৌরসভার সতিপাড়া ৩ নং ওয়ার্ডের ইব্রাহিম সওদাগর বাড়ির বাসিন্দা হাফেজ নুরুল ইসলামের ৫ম সন্তান। সাতকানিয়া জামে মসজিদ মোড়ে গেলেই দেখা পাওয়া যেতো ইউসুফকে।বরিশাল রেস্তোরা,পপুলার ফার্মেসী কিংবা রায়হান কুলিং কর্ণার,কাল বৈশাখীর পান দোকানে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ২ টা পর্যন্ত।
ছোট,বড় সকলের প্রিয় পাত্র ছিলেন মো: ইউসুফ।আজ রবিবার (৭ জুন) আনুমানিক বিকাল ৪টায় নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন,ইন্নালিল্লাহি….রাজীউন।
রবিবার রাত ১১:৩০ মিনিটে সাতকানিয়া জামে মসজিদে মোড়ে জানাযার পরে জামে মসজিদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযায় প্রচুর মানুষ জমায়েত হওয়ায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে বেগ পেতে হলেও অত্যন্ত সশৃংখল ভাবে এবং সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখেই জানাযা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান জানাযায় আগত স্থানীয় বাসীন্দারা।
ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ,ডায়বেটিস এবং কিডনী জটিলতায় ভুগছিলেন।তিনি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা:হাবিবুর রহমান এবং ডা:ফরহাদ উদ্দীন হাসান চৌধুরী মারুফের চিকিৎসাধীন ছিলেন কিন্তু চলমান করোনা পরিস্তিতিতে লকডাউনের ফলে তার নিয়মিত চিকিৎসায় ব্যাঘাত ঘটে বলে জানান তাঁর চাচাতো ভাই মো:হেলাল।
স্থানীয় বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ বাঙালী বলেন তাঁকে এত মানুষ পছন্দ করতো কখনো বুঝতে পারিনি,তাঁর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এক নজর দেখার জন্য মানুষের ঢল নামে।
তাঁর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে “ইউসুফ বদ্দা”কে নিয়ে অসংখ্য মানুষ ছবি সমেত স্মৃতিকাতর হয়ে এবং তাঁর জন্য দোয়া প্রার্থনা করে দেয়া পোস্টে সয়লাব হয়ে যায়।
অনেকে দুর-দুরান্ত থেকে “ইউসুফ বদ্দা”কে একনজর দেখার জন্য এবং জানাযায় অংশ গ্রহণ করার জন্য ছুটে আসে বলে খবরে জানা যায়।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 


