ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্দ্বীপে অস্ত্র কারখানার সন্ধানঃবিপুল পরিমান অস্ত্র,কার্তুজ,অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম,ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ০২

দেশবাংলা ডেস্কঃ

২৫ অক্টোবর ২০১৮ইং অফিসার ইনচার্জ সন্দ্বীপ থানা গোপন সংবাদ লাভ করেন যে, সন্দ্বীপ থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রধারী মো: ইউসুফ@ কালা মনির পিতা-নুর হোসেন@ লেংড়া হোসেন এর রহমতপুর ইউপি’র হাদী বাড়ী সাকিনের বাড়ীতে বিপুল পরিমান অস্ত্র মজুদ ও অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম আছে। সংবাদের ভিত্তিতে সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শাহাজাহান, পিপিএম সঙ্গীয় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হালিম, পুলিশ পরিদর্শক সোহরাওয়ার্দী, এসআই মোঃ হেলাল খাঁন, এএসআই ওয়াসীম মিয়া, এএসআই মোঃ মোর্শেদ আলম, এএসআই মোঃ মোসলেম, এএসআই মোঃ জাহিদ হেসেন, এএসআই মোঃ আমিন উল্যা, এএসআই মোঃ নুর কবির বাহাদুর, এএসআই মোঃ মইনুল হোছাইন ও ফোর্স সহ সীতাকুন্ড সার্কেল অফিসার শম্পা রাণী সাহা এর নেতৃত্বে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(উত্তর) মোঃ মশিউদ্দৌলা রেজা পিপিএম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় স্থানীয় লোকজনের উপস্থি’তিতে বর্নিত ঠিকানার বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে। সন্দ্বীপ থানার শীর্ষ সন্ত্রাসী মো: ইউসুফ@ কালা মনিরের বাড়ীতে তল্লাশী করে ৬টি দোনালা বন্দুক, ১১টি একনলা বন্দুক ৩টি পাইপগান, ০৫টি বন্দুকের কার্তুজ, ১০টি পাইপগান তৈরীর বিভিন্ন সাইজের পাইপ, ১০টি ট্রিগার, ১৮টি স্প্রিং, ৫০টি বিভিন্ন সাইজের লোহার পাত, ০৮টি ফায়ারিং পিন রড, অনুমান ২৫০টি অস্ত্র তৈরী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ, ০৫টি বিভিন্ন সাইজের অস্ত্র তৈরীর কাঠের টুকরা, ০১টি হেক্সোব্লেড সংযুক্ত, ০২টি লোহা রেত, ০২টি কাঠের বাটসহ হাতুড়ী, ০৩টি প্লাস, ০২টি স্ক্রু ড্রাইভার, ০১টি স্কেল, ০১টি বাইশ মেশিন, যাহা দ্বারা লোহা চাপিয়া ধরা হয়, ১টি ড্রিল মেশিন, ০১টি ছোট হাওয়ার মেশিন, ০১টি  গ্রেন্ডার মেশিন যা দ্বারা লোহা কাটা হয়, ১০টি গ্রেন্ডার মেশিনের বেøড, ৫০টি লোহা জ্বালাই করা রড, ১টি টাইগার কোম্পানীর জেনারেটর, অনুমান ৬০০ গ্রাম গুনা, ০২টি কালো স্কচটেপসহ আরো বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সহ ২০৫(দুইশত পাঁচ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনায় জড়িত অস্ত্র তৈরীর কারিগর ১। মো: সাইফুল ইসলাম(২৮) পিতা-মাজহারুল ইসলাম এবং সন্ত্রাসী মো: ইউসুফ@ কালা মনিরের স্ত্রী ২। হীরামনি আক্তার প্রিয়া(২২) স্বামী মো: ইউসুফ@ কালা মনির উভয় সাং-রহমতপুর, ৫নং ওয়াডর্, হাদী বাড়ী, থানা-সন্দ্বীপ জেলা-চট্টগ্রামদ্বয়কে ঘটনাস্থল হইতে গ্রেফতার করে। ঘটনাস্থল হইতে সন্দ্বীপ থানার সন্ত্রাসী তালিকার ৩০নং ক্রমিক এর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ ইউসুফ @কালা মনির সুকৌশলে পালিয়ে যায়। উক্ত অভিযান ২৫/১০/২০১৮খ্রি: ১৪:০০ ঘটিকায় শুরু হয়ে ১৭:০০ ঘটিকায় শেষ হয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে সন্দ্বীপ থানায় ২টি মামলা রুজু হয়েছে। মামলাগুলো যথাক্রমে: ১। মামলা নং-১২ তারিখ-২৫-১০-১৮খ্রি: ধারা-১৮৭৮সনের অস্ত্র আইন ১৯-(অ) (ঋ) এবং ২। মামলা নং-১৩ তারিখ-২৫-১০-১৮ইং তারিখ ধারা-১৯৯০সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১) টেবিল ৯(খ) রুজু করা হয়েছে।

 

বর্ণিত পলাতক আসামী ইউসুফ@ কালা মনির একজন কুখ্যাত খুনি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তার নামে সন্দ্বীপ থানায় ০২টি খুন, ০৩টি অস্ত্র, ০১টি মাদকদ্রব্য, ০১টি পুলিশ আক্রান্ত, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৮টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো যথাক্রমে-

১। মামলা নং-১০(৫)১৭ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩০৭/৩০২/৪২৭/৩৪ দ:বি:

২। মামলা নং-১(৫)১৭ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩৫৪/৩৭৯ /৩২৫/৩০৭/৫০৬ দ:বি:

৩। ৩(৪)১৭ ধারা-১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯(অ)(ঋ)

৪। ৬(১০)১৫ ধারা-১৪১/৩০২/৩০৭/ ৩২৬/৩৮০/৩৮৫/৪৮৭ দ:বি:

৫। ১১(৩)১৪ ধারা-১৪৩/১৮৬/৩৩২/৩৩৩/ ৩৫৩ দ:বি:

৬। ৫(৩)১১ ধারা-১৯৯০ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৭(ক)

৭। ৪(৩)১১ ধারা-১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯(অ) এবং

৮। ১৩(৫)১৭ ধারা-অস্ত্র আইনের ১৯(অ)/(ঋ)

 

বর্ণিত মো: ইউসুফ@ কালা মনিরের সহযোগী ধৃত আসামী মো: সাইফুল ইসলামও একজন কুখ্যাত খুনি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। সে পেশায় একজন অস্ত্রের কারিগর। তার নামে সন্দ্বীপ থানায় খুন, অস্ত্র, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৩টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো যথাক্রমে: ১। মামলা নং-১১(৩)১৮ ধারা-১৪৩/৪৪৭/৩২৩/ ৩৭৯/৪২৭/৫০৬ দ:বি:

২। মামলা নং-১২(৫)১৭ ধারা-অস্ত্র আইনের ১৯(অ)/(ঋ)

৩। মামলা নং-১০(৫)১৭ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩০৭/৩০২/৪২৭/৩৪ দ:বি:

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

সন্দ্বীপে অস্ত্র কারখানার সন্ধানঃবিপুল পরিমান অস্ত্র,কার্তুজ,অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম,ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ০২

প্রকাশিত: ০১:২৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

দেশবাংলা ডেস্কঃ

২৫ অক্টোবর ২০১৮ইং অফিসার ইনচার্জ সন্দ্বীপ থানা গোপন সংবাদ লাভ করেন যে, সন্দ্বীপ থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রধারী মো: ইউসুফ@ কালা মনির পিতা-নুর হোসেন@ লেংড়া হোসেন এর রহমতপুর ইউপি’র হাদী বাড়ী সাকিনের বাড়ীতে বিপুল পরিমান অস্ত্র মজুদ ও অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম আছে। সংবাদের ভিত্তিতে সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শাহাজাহান, পিপিএম সঙ্গীয় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হালিম, পুলিশ পরিদর্শক সোহরাওয়ার্দী, এসআই মোঃ হেলাল খাঁন, এএসআই ওয়াসীম মিয়া, এএসআই মোঃ মোর্শেদ আলম, এএসআই মোঃ মোসলেম, এএসআই মোঃ জাহিদ হেসেন, এএসআই মোঃ আমিন উল্যা, এএসআই মোঃ নুর কবির বাহাদুর, এএসআই মোঃ মইনুল হোছাইন ও ফোর্স সহ সীতাকুন্ড সার্কেল অফিসার শম্পা রাণী সাহা এর নেতৃত্বে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(উত্তর) মোঃ মশিউদ্দৌলা রেজা পিপিএম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় স্থানীয় লোকজনের উপস্থি’তিতে বর্নিত ঠিকানার বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে। সন্দ্বীপ থানার শীর্ষ সন্ত্রাসী মো: ইউসুফ@ কালা মনিরের বাড়ীতে তল্লাশী করে ৬টি দোনালা বন্দুক, ১১টি একনলা বন্দুক ৩টি পাইপগান, ০৫টি বন্দুকের কার্তুজ, ১০টি পাইপগান তৈরীর বিভিন্ন সাইজের পাইপ, ১০টি ট্রিগার, ১৮টি স্প্রিং, ৫০টি বিভিন্ন সাইজের লোহার পাত, ০৮টি ফায়ারিং পিন রড, অনুমান ২৫০টি অস্ত্র তৈরী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ, ০৫টি বিভিন্ন সাইজের অস্ত্র তৈরীর কাঠের টুকরা, ০১টি হেক্সোব্লেড সংযুক্ত, ০২টি লোহা রেত, ০২টি কাঠের বাটসহ হাতুড়ী, ০৩টি প্লাস, ০২টি স্ক্রু ড্রাইভার, ০১টি স্কেল, ০১টি বাইশ মেশিন, যাহা দ্বারা লোহা চাপিয়া ধরা হয়, ১টি ড্রিল মেশিন, ০১টি ছোট হাওয়ার মেশিন, ০১টি  গ্রেন্ডার মেশিন যা দ্বারা লোহা কাটা হয়, ১০টি গ্রেন্ডার মেশিনের বেøড, ৫০টি লোহা জ্বালাই করা রড, ১টি টাইগার কোম্পানীর জেনারেটর, অনুমান ৬০০ গ্রাম গুনা, ০২টি কালো স্কচটেপসহ আরো বিভিন্ন সরঞ্জামাদি সহ ২০৫(দুইশত পাঁচ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনায় জড়িত অস্ত্র তৈরীর কারিগর ১। মো: সাইফুল ইসলাম(২৮) পিতা-মাজহারুল ইসলাম এবং সন্ত্রাসী মো: ইউসুফ@ কালা মনিরের স্ত্রী ২। হীরামনি আক্তার প্রিয়া(২২) স্বামী মো: ইউসুফ@ কালা মনির উভয় সাং-রহমতপুর, ৫নং ওয়াডর্, হাদী বাড়ী, থানা-সন্দ্বীপ জেলা-চট্টগ্রামদ্বয়কে ঘটনাস্থল হইতে গ্রেফতার করে। ঘটনাস্থল হইতে সন্দ্বীপ থানার সন্ত্রাসী তালিকার ৩০নং ক্রমিক এর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ ইউসুফ @কালা মনির সুকৌশলে পালিয়ে যায়। উক্ত অভিযান ২৫/১০/২০১৮খ্রি: ১৪:০০ ঘটিকায় শুরু হয়ে ১৭:০০ ঘটিকায় শেষ হয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে সন্দ্বীপ থানায় ২টি মামলা রুজু হয়েছে। মামলাগুলো যথাক্রমে: ১। মামলা নং-১২ তারিখ-২৫-১০-১৮খ্রি: ধারা-১৮৭৮সনের অস্ত্র আইন ১৯-(অ) (ঋ) এবং ২। মামলা নং-১৩ তারিখ-২৫-১০-১৮ইং তারিখ ধারা-১৯৯০সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯(১) টেবিল ৯(খ) রুজু করা হয়েছে।

 

বর্ণিত পলাতক আসামী ইউসুফ@ কালা মনির একজন কুখ্যাত খুনি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তার নামে সন্দ্বীপ থানায় ০২টি খুন, ০৩টি অস্ত্র, ০১টি মাদকদ্রব্য, ০১টি পুলিশ আক্রান্ত, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৮টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো যথাক্রমে-

১। মামলা নং-১০(৫)১৭ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩০৭/৩০২/৪২৭/৩৪ দ:বি:

২। মামলা নং-১(৫)১৭ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩৫৪/৩৭৯ /৩২৫/৩০৭/৫০৬ দ:বি:

৩। ৩(৪)১৭ ধারা-১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯(অ)(ঋ)

৪। ৬(১০)১৫ ধারা-১৪১/৩০২/৩০৭/ ৩২৬/৩৮০/৩৮৫/৪৮৭ দ:বি:

৫। ১১(৩)১৪ ধারা-১৪৩/১৮৬/৩৩২/৩৩৩/ ৩৫৩ দ:বি:

৬। ৫(৩)১১ ধারা-১৯৯০ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৭(ক)

৭। ৪(৩)১১ ধারা-১৮৭৮ সনের অস্ত্র আইনের ১৯(অ) এবং

৮। ১৩(৫)১৭ ধারা-অস্ত্র আইনের ১৯(অ)/(ঋ)

 

বর্ণিত মো: ইউসুফ@ কালা মনিরের সহযোগী ধৃত আসামী মো: সাইফুল ইসলামও একজন কুখ্যাত খুনি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। সে পেশায় একজন অস্ত্রের কারিগর। তার নামে সন্দ্বীপ থানায় খুন, অস্ত্র, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৩টি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো যথাক্রমে: ১। মামলা নং-১১(৩)১৮ ধারা-১৪৩/৪৪৭/৩২৩/ ৩৭৯/৪২৭/৫০৬ দ:বি:

২। মামলা নং-১২(৫)১৭ ধারা-অস্ত্র আইনের ১৯(অ)/(ঋ)

৩। মামলা নং-১০(৫)১৭ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩০৭/৩০২/৪২৭/৩৪ দ:বি: