[primeitworld_print id="26030"]
ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে অন্তর্বর্তী সরকার

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণমাধ্যমগুলোকে সতর্ক করে জানিয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য বা অডিও প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। শুক্রবার (২২ আগস্ট) সরকারের জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এবং আদালতের নির্দেশনার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচার করার অধিকার কোনো গণমাধ্যমের নেই। এর আগেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার ঘৃণামূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।

সরকার দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, কিছু গণমাধ্যম আইন অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করেছে। এতে দেশের জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে কেউ এমন কার্যকলাপে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকার।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগের পর শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে অভিযুক্ত। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথে এগোচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রাক্কালে গণমাধ্যমগুলোকে দায়িত্বশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে সরকার স্পষ্ট করেছে—শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এবং এটি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে অন্তর্বর্তী সরকার

প্রকাশিত: ০৯:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণমাধ্যমগুলোকে সতর্ক করে জানিয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য বা অডিও প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। শুক্রবার (২২ আগস্ট) সরকারের জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এবং আদালতের নির্দেশনার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচার করার অধিকার কোনো গণমাধ্যমের নেই। এর আগেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার ঘৃণামূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।

সরকার দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, কিছু গণমাধ্যম আইন অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করেছে। এতে দেশের জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে কেউ এমন কার্যকলাপে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকার।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগের পর শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে অভিযুক্ত। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথে এগোচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রাক্কালে গণমাধ্যমগুলোকে দায়িত্বশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে সরকার স্পষ্ট করেছে—শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এবং এটি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।