
রায়হান সিকদারঃ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দিক নির্দেশনায় চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলায় অবস্থিত ২০ শয্যাবিশিষ্ট ট্রমা সেন্টারটি পুনরায় চালু করার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বহুদিন যাবৎ বন্ধ থাকা এই ট্রমা সেন্টারকে জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদানের উপযোগী করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেবা কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসাইন যোগদানের পরপরই ব্যক্তিগত উদ্যোগ, আন্তরিকতা ও তৎপরতার মাধ্যমে ট্রমা সেন্টারটি চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
তার কার্যকর নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয়ে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
এই লক্ষ্যে লোহাগাড়া ২০ শয্যাবিশিষ্ট ট্রমা সেন্টারটি পাইলটিং প্রকল্প হিসেবে পুনরায় চালু হচ্ছে। সেন্টারটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে স্থানীয় জনগণের জরুরি সেবা নিশ্চিত করা যাবে।
ট্রমা সেন্টার পুনরায় চালু করতে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করবেন।
২৯জুলাই (মঙ্গলবার) সকালে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি প্রতিনিধি দল ট্রমা সেন্টারটি পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এর উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডা, মুসলিম উদ্দিন সবুজ, হাসপাতালের পরিচালক জনাব বখতিয়ার আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসাইন, উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ শের আলীসহ হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, স্টাফ ও অন্যন্যা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিনিধি দল ভবিষ্যত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি বুঝে নেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসাইন বলেন, ট্রমা সেন্টার লোহাগাড়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেবা। অনেকদিন ধরে এ সেবাটি বন্ধ ছিল। আমি যোগদান করার পর থেকেই জনগণের মাঝে সেবা কার্যক্রম পৌঁছে দিতে বন্ধে হয়ে যাওয়া ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছি।
ট্রমা সেন্টারের যৌথ কার্যক্রমটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি যৌথ সমঝোতা স্মারক (MoU) এর আলোকে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুর্ঘটনাজনিত জরুরি রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 




















