ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় পর্নোগ্রাফি তৈরির অপরাধে এক বখাটের ২ মাসের সাজা

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ
লোহাগাড়ায় ছবি এডিট করে র্পনোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে এক যুবককে ২ মাসের সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ অভিযান পরিচালনা করেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তথা নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলাম। গত ৩০ অক্টোবর শুক্রবার এ সাজা প্রদান করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত যুবক আবদুর রহিম (২৭)। লোহাগাড়া উপজেলার জব্বার আলী সওদাগর পাড়ার নূর মোহাম্মদের পুত্র। অভিযোগকারী কুলসুমা আক্তার চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা মালুমঘাট এলাকার রফিক আহমদের কন্যা।থানা সুত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবদুর রহিম মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে ছবি এডিটিং পূর্বক র্পনোগ্রাফি তৈরী করে অভিযোগকারী কুলসুমা আক্তারের মোবাইল প্রেরণ করে। তারপর তার দেয়া কু-প্রস্তাবে রাজি না হলে ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। কুলসুমা আক্তার বিষয়টি তার অভিভাবককে জানান। তারা লোহাগাড়া উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর ইউএনও অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। আটকের পর তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে বিষয়টি যাচাই-বাচাই পূর্বক প্রমাণিত হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।
ইউএনও আবু আসলাম সাংবাদিকদের জানান, র্পনোগ্রাফিও একটি সামাজিক ব্যাধি। শাস্তির বিধান থাকলেও দিন দিন সমাজে এ ব্যাধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। র্পনোগ্রাফি অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলকে সচেতন হওয়া উচিত বলে জানান তিনি।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

লোহাগাড়ায় পর্নোগ্রাফি তৈরির অপরাধে এক বখাটের ২ মাসের সাজা

প্রকাশিত: ১২:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৮

রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ
লোহাগাড়ায় ছবি এডিট করে র্পনোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে এক যুবককে ২ মাসের সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ অভিযান পরিচালনা করেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তথা নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আসলাম। গত ৩০ অক্টোবর শুক্রবার এ সাজা প্রদান করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত যুবক আবদুর রহিম (২৭)। লোহাগাড়া উপজেলার জব্বার আলী সওদাগর পাড়ার নূর মোহাম্মদের পুত্র। অভিযোগকারী কুলসুমা আক্তার চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা মালুমঘাট এলাকার রফিক আহমদের কন্যা।থানা সুত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবদুর রহিম মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে ছবি এডিটিং পূর্বক র্পনোগ্রাফি তৈরী করে অভিযোগকারী কুলসুমা আক্তারের মোবাইল প্রেরণ করে। তারপর তার দেয়া কু-প্রস্তাবে রাজি না হলে ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। কুলসুমা আক্তার বিষয়টি তার অভিভাবককে জানান। তারা লোহাগাড়া উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর ইউএনও অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। আটকের পর তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে বিষয়টি যাচাই-বাচাই পূর্বক প্রমাণিত হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।
ইউএনও আবু আসলাম সাংবাদিকদের জানান, র্পনোগ্রাফিও একটি সামাজিক ব্যাধি। শাস্তির বিধান থাকলেও দিন দিন সমাজে এ ব্যাধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। র্পনোগ্রাফি অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলকে সচেতন হওয়া উচিত বলে জানান তিনি।