ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ার চুনতিতে বজ্রপাতে মারা গেল তিন গরু

রায়হান সিকদারঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বজ্রপাতে তিনটি গরু মারা গেছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে। গতকাল দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার চুনতি দক্ষিণ চাঁন্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্থ গরু গুলোর মালিকের নাম ওই এলাকার মৃত কবির আহমদের পুত্র আবদুর রহিম। মারা যাওয়া গরুর মূল্য প্রায় ২লাখ টাকা হবে বলে জানা গেছে।

চুনতি ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ বাদশা মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বজ্রপাতে আমাদের এলাকার আবদুর রহিমের তিনটি গরু মারা গেছে।তিনি একজন কৃষক। কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। তিনি অনেক কষ্টে গরুগুলো লালন পালন করছেন। তিনটি গরুর মধ্যে দুটি নিজের আরেকটি ভাগা (বর্গা নেওয়া)।

জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাত দুইটার দিকে লোহাগাড়ায় চুনতিসহ বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ মেঘ করে বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রপাত শুরু হয়। আবদুর রহিমের বাড়ির সামনে উঠানে গরুগুলো ছিল। বজ্রপাত শুরু হওয়ার সাথে সাথেই গোয়ালঘরে গরু তিনটি নিয়ে যায়। বৃষ্টি শেষে গরুর মালিক গোয়াল ঘরে গিয়ে গরু তিনটিকে মৃত দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা আবদুল হালিম বলেন, আবদুর রহিম একজন দরিদ্র কৃষক। দরিদ্র কৃষকের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল। গরু তিনটির আনুমানিক মূল্য ২লক্ষ হতে পারে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবদুর রহিমকে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য তৈয়ব উল্যাহ বলেন, বজ্রপাতে গরু মারা যাওয়ার বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। আপনার মাধ্যমে জেনেছি।

ক্ষতিগ্রস্থ আবদুর রহিমের স্ত্রী পারভিন আকতার কান্নাজনিত কন্ঠে বলেন, গতকাল রাতে বজ্রপাত শুরু হওয়ার সময় উঠানে থাকা গরু তিনটিকে দ্রুত আমার স্বামী গোয়ালঘরে নিয়ে যায়। দুইটি আমাদের নিজের, আরেকটি অন্যজন থেকে নিয়ে লালন-পালন করা (বর্গা নেওয়া) গরু। গোয়ালঘর থেকে আমার স্বামী বের হওয়ার পর পরই বজ্রপাতে তিনটি গরু মারা গেছে। আমরা গোয়ালঘরে গিয়ে দেখতে পাই গরু তিনটি মৃত অবস্থায়। আমার স্বামী একজন কৃষক। কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। তাই সরকারের কাছে এ বিষয়ে ক্ষতিপূরণের জন্য দাবী জানাচ্ছি।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

সমাজসেবায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পিস অ্যাওয়ার্ড মনোনীত হলেন চুনতির কৃতি সন্তান কফিল উদ্দিন লিটু

লোহাগাড়ার চুনতিতে বজ্রপাতে মারা গেল তিন গরু

প্রকাশিত: ০৪:১৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

রায়হান সিকদারঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বজ্রপাতে তিনটি গরু মারা গেছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে। গতকাল দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার চুনতি দক্ষিণ চাঁন্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্থ গরু গুলোর মালিকের নাম ওই এলাকার মৃত কবির আহমদের পুত্র আবদুর রহিম। মারা যাওয়া গরুর মূল্য প্রায় ২লাখ টাকা হবে বলে জানা গেছে।

চুনতি ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ বাদশা মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বজ্রপাতে আমাদের এলাকার আবদুর রহিমের তিনটি গরু মারা গেছে।তিনি একজন কৃষক। কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। তিনি অনেক কষ্টে গরুগুলো লালন পালন করছেন। তিনটি গরুর মধ্যে দুটি নিজের আরেকটি ভাগা (বর্গা নেওয়া)।

জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাত দুইটার দিকে লোহাগাড়ায় চুনতিসহ বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ মেঘ করে বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রপাত শুরু হয়। আবদুর রহিমের বাড়ির সামনে উঠানে গরুগুলো ছিল। বজ্রপাত শুরু হওয়ার সাথে সাথেই গোয়ালঘরে গরু তিনটি নিয়ে যায়। বৃষ্টি শেষে গরুর মালিক গোয়াল ঘরে গিয়ে গরু তিনটিকে মৃত দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা আবদুল হালিম বলেন, আবদুর রহিম একজন দরিদ্র কৃষক। দরিদ্র কৃষকের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল। গরু তিনটির আনুমানিক মূল্য ২লক্ষ হতে পারে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবদুর রহিমকে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য তৈয়ব উল্যাহ বলেন, বজ্রপাতে গরু মারা যাওয়ার বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। আপনার মাধ্যমে জেনেছি।

ক্ষতিগ্রস্থ আবদুর রহিমের স্ত্রী পারভিন আকতার কান্নাজনিত কন্ঠে বলেন, গতকাল রাতে বজ্রপাত শুরু হওয়ার সময় উঠানে থাকা গরু তিনটিকে দ্রুত আমার স্বামী গোয়ালঘরে নিয়ে যায়। দুইটি আমাদের নিজের, আরেকটি অন্যজন থেকে নিয়ে লালন-পালন করা (বর্গা নেওয়া) গরু। গোয়ালঘর থেকে আমার স্বামী বের হওয়ার পর পরই বজ্রপাতে তিনটি গরু মারা গেছে। আমরা গোয়ালঘরে গিয়ে দেখতে পাই গরু তিনটি মৃত অবস্থায়। আমার স্বামী একজন কৃষক। কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। তাই সরকারের কাছে এ বিষয়ে ক্ষতিপূরণের জন্য দাবী জানাচ্ছি।