ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়াকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

রায়হান সিকদারঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়াকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চলতি মাসের নির্ধারিত ৫ দিনের এই কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকার আওতায় আনা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন।

জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক কিন্তু সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ। এই রোগ প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে লোহাগাড়া উপজেলায় কুকুরের জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে।

১১জানুয়ারি( রোববার) সকালে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য প. প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন।

এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকসহ নার্স-স্টাফগণ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পোষা ও ভবঘুরে (স্ট্রে) কুকুরকে বিনামূল্যে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে কুকুরের মধ্যে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করা এবং মানুষের মধ্যে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোই মূল উদ্দেশ্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য প. প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, লোহাগাড়াকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ দিন ব্যাপী পোষা ও ভবঘুরে (স্ট্রে) কুকুরকে বিনামূল্যে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। এই ক্যাম্পেইন এ ২৭টি টিম কাজ করবে। তিনি আরও বলেন,জলাতঙ্ক অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়। তবে সব কুকুরের কামড়েই জলাতঙ্ক হয় না। ভাইরাস বহনকারী কুকুরের ক্ষেত্রেই ঝুঁকি থাকে।

উল্লেখ্য, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, ভেটেরিনারি বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এই ক্যাম্পেইন এ ২৭টি টিম কাজ করবে সকাল সাড়ে থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত। প্রতিটা টিমে ১ জন ভ্যাকসিনেটর (প্রাণিসম্পদ),১ জন ডাটা কালেক্টর, ১জন ভ্যানচালক,২ জন এক্সপার্ট কুকুর ধরার লোক কাজ করবে। মানুষের জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হলো কুকুরের কামড়। গবেষণায় দেখা গেছে, কুকুরের অন্তত ৭০ শতাংশকে নিয়মিত ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনতে পারলে একটি এলাকায় জলাতঙ্ক কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

লোহাগাড়াকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

প্রকাশিত: ০৩:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

রায়হান সিকদারঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়াকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চলতি মাসের নির্ধারিত ৫ দিনের এই কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকার আওতায় আনা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন।

জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক কিন্তু সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ। এই রোগ প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে লোহাগাড়া উপজেলায় কুকুরের জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে।

১১জানুয়ারি( রোববার) সকালে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য প. প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন।

এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকসহ নার্স-স্টাফগণ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পোষা ও ভবঘুরে (স্ট্রে) কুকুরকে বিনামূল্যে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে কুকুরের মধ্যে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করা এবং মানুষের মধ্যে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোই মূল উদ্দেশ্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য প. প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, লোহাগাড়াকে জলাতঙ্কমুক্ত করতে বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ দিন ব্যাপী পোষা ও ভবঘুরে (স্ট্রে) কুকুরকে বিনামূল্যে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। এই ক্যাম্পেইন এ ২৭টি টিম কাজ করবে। তিনি আরও বলেন,জলাতঙ্ক অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়। তবে সব কুকুরের কামড়েই জলাতঙ্ক হয় না। ভাইরাস বহনকারী কুকুরের ক্ষেত্রেই ঝুঁকি থাকে।

উল্লেখ্য, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, ভেটেরিনারি বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এই ক্যাম্পেইন এ ২৭টি টিম কাজ করবে সকাল সাড়ে থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত। প্রতিটা টিমে ১ জন ভ্যাকসিনেটর (প্রাণিসম্পদ),১ জন ডাটা কালেক্টর, ১জন ভ্যানচালক,২ জন এক্সপার্ট কুকুর ধরার লোক কাজ করবে। মানুষের জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ হলো কুকুরের কামড়। গবেষণায় দেখা গেছে, কুকুরের অন্তত ৭০ শতাংশকে নিয়মিত ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনতে পারলে একটি এলাকায় জলাতঙ্ক কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।