ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা


রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ধলিবিলা হানিফার চর এলাকায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে সালেহা আক্তার(২০) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে। সে ওই এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী ও চরম্বা কারোয়ার পাড়া এলাকান হাফেজ আবু তৈয়বের মেয়ে।
ঘটনাটি আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) ভোর রাতে ঘটেছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নিহত সালেহা আক্তারের সাথে উপজেলার পদুয়া ধলিবিলা হানিফার এলাকার ওলা মিয়ার ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী জসিম উদ্দিনের সাথে ২ বছর আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়।

নিহত সাহেলা আক্তারের শ্বাশুরি ফাতেমা বেগম বলেন, ঘটনারদিন রাতে দু’জনই এক সাথে ঘুমিয়েছিল। ফজরের নামাজ পড়তে রুম থেকে বের হয়ে ওজু করে নামাজ শেষে রুমে প্রবেশ করতেই পুত্রবধু সাহেলা বাড়ির ছাদের বীমের সাথে উড়না প্যাছানো ঝুলন্ত দেহ দেখে চিৎকার দেন। চিৎকারে পাশের রুমে ঘুমানো আরেক পুত্রবধু মনোয়ারা বেগম দৌঁড়ে এসে প্যাছানো ওড়া থেকে খুলে তাকে দ্রুত লোহাগাড়া উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে লোহাগাড়া থানা পুলিশের এসআই অজয় দেব শীল হাসপাতাল পরিদর্শন করে লাশের সুরতহাল শেষে লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান।

লোহাগাড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিবুল ইসলাম বলেন, সকালে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করা মৃত মেয়ের লাশ নিয়ে আসে।

নিহত সাহেলা আক্তারের পিতা হাফেজ আহমদ বলেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রায় সময় তার মেয়েকে শ্বাশুর বাড়িতে জ্বালাতন করত।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

লোহাগাড়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ১২:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০১৯


রায়হান সিকদার,লোহাগাড়াঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ধলিবিলা হানিফার চর এলাকায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে সালেহা আক্তার(২০) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে। সে ওই এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী ও চরম্বা কারোয়ার পাড়া এলাকান হাফেজ আবু তৈয়বের মেয়ে।
ঘটনাটি আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) ভোর রাতে ঘটেছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, নিহত সালেহা আক্তারের সাথে উপজেলার পদুয়া ধলিবিলা হানিফার এলাকার ওলা মিয়ার ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী জসিম উদ্দিনের সাথে ২ বছর আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়।

নিহত সাহেলা আক্তারের শ্বাশুরি ফাতেমা বেগম বলেন, ঘটনারদিন রাতে দু’জনই এক সাথে ঘুমিয়েছিল। ফজরের নামাজ পড়তে রুম থেকে বের হয়ে ওজু করে নামাজ শেষে রুমে প্রবেশ করতেই পুত্রবধু সাহেলা বাড়ির ছাদের বীমের সাথে উড়না প্যাছানো ঝুলন্ত দেহ দেখে চিৎকার দেন। চিৎকারে পাশের রুমে ঘুমানো আরেক পুত্রবধু মনোয়ারা বেগম দৌঁড়ে এসে প্যাছানো ওড়া থেকে খুলে তাকে দ্রুত লোহাগাড়া উপজেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে লোহাগাড়া থানা পুলিশের এসআই অজয় দেব শীল হাসপাতাল পরিদর্শন করে লাশের সুরতহাল শেষে লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান।

লোহাগাড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাকিবুল ইসলাম বলেন, সকালে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করা মৃত মেয়ের লাশ নিয়ে আসে।

নিহত সাহেলা আক্তারের পিতা হাফেজ আহমদ বলেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রায় সময় তার মেয়েকে শ্বাশুর বাড়িতে জ্বালাতন করত।