ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মনোনয়ন দৌড়ে নেই আওয়ামী লীগ নেতা ব্যারিষ্টার বিপ্লব

নিজস্ব প্রতিবেদক,দেশবাংলা ডটনেট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির ৭৭ জনই বিভিন্ন আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারভীন জামান কল্পনা এবং মেরিনা জাহান।

নিজ আসনে নিজের চেয়ে যোগ্য প্রার্থী থাকায় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি বলে জানালেন ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আমি প্রার্থী হচ্ছি না। এখানে প্রার্থী হওয়ার মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও যোগ্য ব্যক্তি রয়েছেন। প্রার্থিতার মানদণ্ডে তারা অনেক এগিয়ে। আমি মনে করি যাদের জনভিত্তি প্রবল, যারা জনপ্রিয়, যারা এমপি হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন পরিশ্রম করছেন তাদের মনোনয়ন পাওয়া উচিত। মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের জিতিয়ে আনার জন্য আমি কাজ করব।’

মনোনয়ন সংগ্রহ না করার পেছনে তিনি ‘দুটি কারণ’ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রেখেছেন। এটা অনেক বড় সম্মান ও স্বীকৃতির ব্যাপার। নির্বাচন তারাই করতে পারে যাদের প্রবল জনভিত্তি আছে। আমার আসনে (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) অনেকেই আছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে এমপি হবার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের অনেক বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া ওনারা আমার অনেক সিনিয়র।’

তিনি বলেন, সবাই যদি নির্বাচন করে, তাহলে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করবে কারা? কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় সবাই নির্বাচন করবেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ে অনেক কাজ থাকবে। এই কাজগুলো করার জন্য তো লোকজন দরকার।’

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার বড়হাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুনীল কান্তি বড়ুয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান বিপ্লব বড়ুয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে এমএ, যুক্তরাজ্যের ওলভারহ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবি (সম্মান), যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স (পিজিডিএল), যুক্তরাজ্যের কল টু দ্য বার ‘দ্য অনারেবল সোসাইটি অব গ্রেস ইন’ ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

বিপ্লব বড়ুয়া স্বাধীন বাংলাদেশে বাঙালি বৌদ্ধদের মধ্যে সর্বপ্রথম এবং একমাত্র ব্রিটিশ কোয়ালিফাইড ব্যারিস্টার।

ছাত্রজীবনে সক্রিয় ছিলেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। তিনি সাতকানিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাতকানিয়া থানা ছাত্রলীগের অ্যাডহক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এমনকি দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিপ্লব বড়ুয়া ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য। আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনের পরে তাকে প্রথমে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়। পরে পদোন্নতি দিয়ে দলের উপ-দফতর সম্পাদক করা হয়।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

মনোনয়ন দৌড়ে নেই আওয়ামী লীগ নেতা ব্যারিষ্টার বিপ্লব

প্রকাশিত: ১১:২৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক,দেশবাংলা ডটনেট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির ৭৭ জনই বিভিন্ন আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পারভীন জামান কল্পনা এবং মেরিনা জাহান।

নিজ আসনে নিজের চেয়ে যোগ্য প্রার্থী থাকায় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি বলে জানালেন ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আমি প্রার্থী হচ্ছি না। এখানে প্রার্থী হওয়ার মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও যোগ্য ব্যক্তি রয়েছেন। প্রার্থিতার মানদণ্ডে তারা অনেক এগিয়ে। আমি মনে করি যাদের জনভিত্তি প্রবল, যারা জনপ্রিয়, যারা এমপি হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন পরিশ্রম করছেন তাদের মনোনয়ন পাওয়া উচিত। মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের জিতিয়ে আনার জন্য আমি কাজ করব।’

মনোনয়ন সংগ্রহ না করার পেছনে তিনি ‘দুটি কারণ’ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রেখেছেন। এটা অনেক বড় সম্মান ও স্বীকৃতির ব্যাপার। নির্বাচন তারাই করতে পারে যাদের প্রবল জনভিত্তি আছে। আমার আসনে (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) অনেকেই আছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে এমপি হবার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের অনেক বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া ওনারা আমার অনেক সিনিয়র।’

তিনি বলেন, সবাই যদি নির্বাচন করে, তাহলে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করবে কারা? কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় সবাই নির্বাচন করবেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ে অনেক কাজ থাকবে। এই কাজগুলো করার জন্য তো লোকজন দরকার।’

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার বড়হাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুনীল কান্তি বড়ুয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান বিপ্লব বড়ুয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে এমএ, যুক্তরাজ্যের ওলভারহ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবি (সম্মান), যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স (পিজিডিএল), যুক্তরাজ্যের কল টু দ্য বার ‘দ্য অনারেবল সোসাইটি অব গ্রেস ইন’ ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

বিপ্লব বড়ুয়া স্বাধীন বাংলাদেশে বাঙালি বৌদ্ধদের মধ্যে সর্বপ্রথম এবং একমাত্র ব্রিটিশ কোয়ালিফাইড ব্যারিস্টার।

ছাত্রজীবনে সক্রিয় ছিলেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। তিনি সাতকানিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাতকানিয়া থানা ছাত্রলীগের অ্যাডহক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এমনকি দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিপ্লব বড়ুয়া ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য। আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনের পরে তাকে প্রথমে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়। পরে পদোন্নতি দিয়ে দলের উপ-দফতর সম্পাদক করা হয়।