
শহীদুল ইসলাম বাবর,দেশবাংলা.নেট
দুপুর থেকেই অভিযানে আছি। এর মধ্যে কফিল উদ্দিন নামে বাঁশখালীর এক যাত্রী ফোন করে জানালেন, বাঁশখালীর একটি বাস গুনাগরী থেকে চট্টগ্রামের ভাড়া ১০০ টাকা করে নিচ্ছে, যেখানে নিয়মিত ভাড়া ৫৫ টাকা। আমি তাঁকে বললাম, আপনারা আসতে থাকেন। আমি আছি। কাছাকাছি আসলে আমাকে ফোন দিয়েন। সেসময় আমি ছিলাম হাটহাজারী রুটে, বালুচড়া এলাকায়।
বাড়তি ভাড়ার অভিযোগে ৩ নং বাস এবং ফটিকছড়ি, রাউজানের বাসগুলো চেক করছিলাম। এর মধ্যে উক্ত যাত্রী ফোন করে জানালেন তাদের বাস নতুন ব্রিজ টোল প্লাজা চলে এসেছে। আমি তখন হাটহাজারী রুটের অভিযান সংক্ষিপ্ত করে নতুন ব্রিজের দিকে। মুরাদপুর গিয়ে আমি উক্ত যাত্রীকে ফোন দিলাম তাদের অবস্থান জানতে। তিনি জানালেন গাড়ি একটু পরেই বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে প্রবেশ করবে। আমি ছুট লাগালাম টার্মিনালের দিকে। টার্মিনালে পৌঁছে যাত্রীকে ফোন করে বাসের অবস্থান নিশ্চিত হলাম। ততক্ষণে বাসের অন্যান্য যাত্রীরা নেমে পড়েছেন। ত্বরিত আমার গাড়ি থেকে নেমে বাসে উঠে দেখি, চালক আর দুই হেলপার মিলে টাকা গুনছে। প্রথমে অভিযোগকারী যাত্রীর বাড়তি ভাড়াটুকু ফেরত নিয়ে দিলাম। পরে দেখা গেলো বাসের সব ডকুমেন্টস ৫/৬ বছর ধরে ফেল। ফলাফল, বাসটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছি এবং বাসটি জব্দ করে চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর করেছি। বাসটির কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মতো। সরকারি সব বকেয়া পরিশোধের পর বাসটি ছাড়া হবে। এছাড়া অনেকক্ষণ ধরে নতুন ব্রিজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আজকের অভিযানে এখন পর্যন্ত বাড়তি ভাড়ার অভিযোগে ১০টি বাসকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান এখনো চলছে।নিজের পেইজবুক পেইজে শনিবার সন্ধ্যায় এমনটিই বলছিলেন বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেড এসএম মনজুরুল হক।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 





















