ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেরশিক পুলিশ

শহীদুল ইসলাম বাবর
১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে একই এলাকার শাহাব উদ্দিনের বিয়ের দিন ঠিক করা ছিল। যথারীতি অতিথিরাও এসেছিলেন বিয়েতে। কিন্তু সেই সময় উপস্থিত হয় থানা পুলিশের একটি দল। তারা আয়োজকদের জানালেন বাল্য বিবাহ দেওয়া যাবেনা। বাল্য বিবাহ আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। আর এতেই বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলেন ১৫ বছর বয়সী কিশোরীটি। এমন ঘটনাটি ঘটেছে ৩০ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে সাতকানিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুর্লভের পাড়া এলাকায়। থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, ২০১৯ সালে এএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের অপেক্ষায় থানা ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীর সঙ্গে একই এলাকার ফজল করিমের পুত্র শাহাব উদ্দিনের বিয়ের দিন ঠিক করা ছিল ৩০ নভেম্বর শুক্রবার। এমন খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনর্চাজের নির্দেশে এস আই দিীপন সরকার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিবাহ বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহের কুফল ও আইনত অপরাধের কথা বর্ণনা করেন। এর মোবাইল ফোনে পাত্রী-পাত্র পক্ষের লোকজনের সাথে ওসি রফিকুল ইসলাম কথা বলেন।
এ বিষয়ে থানার ওসি রফিকুল হোসেন বলেন, বাল্য বিবাহের খবর পেয়ে খবর পেয়ে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মেয়ের অভিভাবক ও ছেলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন মেয়ের অভিভাবকরা।
আগেও বেশ কয়েকটি বাল্য ববিাহ পন্ড করে আলোচনায় আসেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

বেরশিক পুলিশ

প্রকাশিত: ০৫:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৮

শহীদুল ইসলাম বাবর
১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে একই এলাকার শাহাব উদ্দিনের বিয়ের দিন ঠিক করা ছিল। যথারীতি অতিথিরাও এসেছিলেন বিয়েতে। কিন্তু সেই সময় উপস্থিত হয় থানা পুলিশের একটি দল। তারা আয়োজকদের জানালেন বাল্য বিবাহ দেওয়া যাবেনা। বাল্য বিবাহ আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। আর এতেই বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলেন ১৫ বছর বয়সী কিশোরীটি। এমন ঘটনাটি ঘটেছে ৩০ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে সাতকানিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুর্লভের পাড়া এলাকায়। থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, ২০১৯ সালে এএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের অপেক্ষায় থানা ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরীর সঙ্গে একই এলাকার ফজল করিমের পুত্র শাহাব উদ্দিনের বিয়ের দিন ঠিক করা ছিল ৩০ নভেম্বর শুক্রবার। এমন খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনর্চাজের নির্দেশে এস আই দিীপন সরকার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিবাহ বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহের কুফল ও আইনত অপরাধের কথা বর্ণনা করেন। এর মোবাইল ফোনে পাত্রী-পাত্র পক্ষের লোকজনের সাথে ওসি রফিকুল ইসলাম কথা বলেন।
এ বিষয়ে থানার ওসি রফিকুল হোসেন বলেন, বাল্য বিবাহের খবর পেয়ে খবর পেয়ে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মেয়ের অভিভাবক ও ছেলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন মেয়ের অভিভাবকরা।
আগেও বেশ কয়েকটি বাল্য ববিাহ পন্ড করে আলোচনায় আসেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।