ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রবাসী থেকে কয়েদি—পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সুযোগ পাচ্ছেন দেড় মিলিয়ন ভোটার

প্রথমবারের মতো প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণির ১৫ লাখের বেশি নাগরিক আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্যোগে চালু হওয়া ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ১১ হাজার ৪৯৭ জন। এ ছাড়া অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন আরও ৬ হাজার ৬৬ জন।
নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৬৪ হাজার ১১৮ জন এবং নারী ২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭৭ জন। দেশীয় ভোটারের পাশাপাশি প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ এ ব্যবস্থাকে দিয়েছে নতুন মাত্রা।
ইসি সূত্র জানায়, এবার প্রবাসী বাংলাদেশি, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কারাবন্দি ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সুযোগ রাখা হয়েছে। দেশের ভেতর থেকে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ জন ভোটার।
প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে সৌদি আরব থেকে—২ লাখ ৩৬ হাজার ৪০১টি। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে, কলম্বিয়া, ক্যামেরুন ও নাইজার থেকে একজন করে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। মোটামুটি ৬০টি দেশের প্রবাসীরা এই পোস্টাল ভোট ব্যবস্থায় নিবন্ধিত হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন নিবন্ধনকারীরা। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর তারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান করবেন। যারা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন, তাদের তুলনায় পোস্টাল ভোটাররা অন্তত ২০ দিন আগেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
ইসি জানায়, নিবন্ধিত ভোটারদের ঠিকানায় ডাকযোগে ফিরতি খামসহ ব্যালট পেপার পাঠানো হবে। ব্যালট পেপারে প্রার্থীর নাম থাকবে না, কেবল প্রতীক থাকবে। গণভোটের জন্য থাকবে আলাদা ব্যালট পেপার।
ভোটাররা ব্যালটে ভোট দিয়ে খামে ভরে নিকটস্থ পোস্টবক্স বা পোস্ট অফিসে জমা দেবেন। সেখান থেকে ব্যালট সংশ্লিষ্ট ভোটারের আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাবে। ভোটের দিন অন্যান্য ভোটের সঙ্গে এসব পোস্টাল ব্যালট গণনা করা হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর ফেরত আসা ব্যালট বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

প্রবাসী থেকে কয়েদি—পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সুযোগ পাচ্ছেন দেড় মিলিয়ন ভোটার

প্রকাশিত: ১০:৩০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

প্রথমবারের মতো প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণির ১৫ লাখের বেশি নাগরিক আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্যোগে চালু হওয়া ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ১১ হাজার ৪৯৭ জন। এ ছাড়া অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন আরও ৬ হাজার ৬৬ জন।
নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৬৪ হাজার ১১৮ জন এবং নারী ২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭৭ জন। দেশীয় ভোটারের পাশাপাশি প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ এ ব্যবস্থাকে দিয়েছে নতুন মাত্রা।
ইসি সূত্র জানায়, এবার প্রবাসী বাংলাদেশি, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কারাবন্দি ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সুযোগ রাখা হয়েছে। দেশের ভেতর থেকে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ জন ভোটার।
প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে সৌদি আরব থেকে—২ লাখ ৩৬ হাজার ৪০১টি। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে, কলম্বিয়া, ক্যামেরুন ও নাইজার থেকে একজন করে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। মোটামুটি ৬০টি দেশের প্রবাসীরা এই পোস্টাল ভোট ব্যবস্থায় নিবন্ধিত হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন নিবন্ধনকারীরা। তবে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর তারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান করবেন। যারা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন, তাদের তুলনায় পোস্টাল ভোটাররা অন্তত ২০ দিন আগেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
ইসি জানায়, নিবন্ধিত ভোটারদের ঠিকানায় ডাকযোগে ফিরতি খামসহ ব্যালট পেপার পাঠানো হবে। ব্যালট পেপারে প্রার্থীর নাম থাকবে না, কেবল প্রতীক থাকবে। গণভোটের জন্য থাকবে আলাদা ব্যালট পেপার।
ভোটাররা ব্যালটে ভোট দিয়ে খামে ভরে নিকটস্থ পোস্টবক্স বা পোস্ট অফিসে জমা দেবেন। সেখান থেকে ব্যালট সংশ্লিষ্ট ভোটারের আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাবে। ভোটের দিন অন্যান্য ভোটের সঙ্গে এসব পোস্টাল ব্যালট গণনা করা হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর ফেরত আসা ব্যালট বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন।