
ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানির হত্যার প্রতিশোধ যাতে সহনীয় মাত্রায় থাকে এমনটা অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
দ্য হিন্দু জানায়, ওয়াশিংটনের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের যতটুকু ক্ষতি করেছে, প্রতিশোধও যাতে সেই অনুপাতে হয়।
রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে শুক্রবার রাতে ইরানি সেনাবাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের ডেপুটি কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলি ফাদাবি বিষয়টি জানান।
ওই দিন সকালে ইরাকে সোলেইমানিকে ইরাকে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র
দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে ১৯৮০ সাল থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস।
আলি ফাদাবি জানান, হামলার পর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্র।
তিনি বলেন, ‘এমনকি তারা বলেছিল যে, ইরান যদি প্রতিশোধ নিতে চায় তবে আমরা যা করেছি তার অনুপাতে প্রতিশোধ নিক। ’
ফাদাভি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই কঠোর প্রতিশোধের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই প্রতিশোধ শুধু ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ’
এদিকে রবিবার সকালে সোলেইমানির মৃতদেহ ইরাক থেকে তেহরানে পৌঁছেছে। ইরানি জেনারেলের প্রতি শোক জানাতে এ সময় লাখ লাখ মানুষ আহভাজ শহরে জড়ো হয়।
তারা যুক্তরাষ্ট্রের ধ্বংস চেয়ে স্লোগান দেন।
বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় জেনারেল সোলেইমানিসহ নিহত হন ১০ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইরাকি মিলিশিয়া কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসও।
সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ‘কঠিন প্রতিশোধের’ ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিমধ্যে সকল মার্কিন নাগরিককে ইরাক ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প পালটা হুঁশিয়ারি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু হলে ইরানের ৫২টি স্থাপনায় হামলা চালানো হবে
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 

























