
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে টানা প্রচার-প্রচারণা, কৌশল, হিসাব–নিকাশ আর রাজনৈতিক উত্তাপের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটেছে। নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়ায় মাঠের মাইক থেমেছে, থেমেছে মিছিল-সমাবেশ। এখন সবার দৃষ্টি ভোটের বাক্সে—১২ ফেব্রুয়ারির ভোটগ্রহণের দিকে।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার বন্ধ থাকে। সেই হিসাবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই প্রচারযুদ্ধের ইতি টানা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে প্রার্থীরা নীরব প্রচার আর ভোটারদের সমর্থনের হিসাব কষলেও প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচি নেই।
ভোটের সময়সূচি ও পদ্ধতি
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোটও।
সারা দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে সনাতন পদ্ধতিতে (ব্যালট পেপার) ভোট দেবেন ভোটাররা।
কড়া নিরাপত্তা বলয়
ভোটকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দিয়েছে কমিশন। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন ১,০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকবেন।
যানবাহনে বিধিনিষেধ
ভোটের দিন কেন্দ্র এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যান চলাচলেও কড়াকড়ি আরোপ করেছে ইসি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের ব্যবহৃত গাড়িতে চালকসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন থাকতে পারবেন—এ নিয়ম ভাঙলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
শেষ অপেক্ষা
দীর্ঘ প্রচারের পর এখন নীরবতা। মাঠের উত্তাপ সরে গিয়ে জায়গা নিয়েছে অপেক্ষা। প্রার্থীরা তাকিয়ে ভোটারের রায়ের দিকে, আর দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্র একটাই—১২ ফেব্রুয়ারির ভোট।
মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন 
























