ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • বাংলানিউজ
  • প্রকাশিত: ১১:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪২ পড়া হয়েছে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ আদেশ দেন। পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, আসিফ আহম্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু প্রমুখ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।

জুলাই আন্দোলনে মালবাহী ট্রাকচালক মো. হোসেন ও সিএনজি অটোরিকশাচালক সবুজ হত্যা মামলায় ৬৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। সেই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচারক শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরে হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা রীনা বেগম ওই বছরের ৩১ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে গত ২৩ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আকরামুজ্জামান। এ মামলায় ২০ আসামি পলাতক রয়েছেন। সাদেক খান, পলকসহ চারজন কারাগারে ও ১০ জন জামিনে আছেন।

অপরদিকে সবুজ হত্যা মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের সময় ৪ আগস্ট মোহাম্মদপুরে ময়ূর ভিলার সামনে গুলিবিদ্ধ হন ২২ বছরের সবুজ।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৪৫০-৫০০ জনকে আসামি করে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন সবুজের ভাই মনির হোসেন।

মামলার এজাহারে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামালের নাম ছিল না। তবে তদন্ত শেষে গত ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. মাজহারুল ইসলাম।

অভিযোগপত্রভুক্ত ২১ জনই পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশিত: ১১:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ আদেশ দেন। পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, আসিফ আহম্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু প্রমুখ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।

জুলাই আন্দোলনে মালবাহী ট্রাকচালক মো. হোসেন ও সিএনজি অটোরিকশাচালক সবুজ হত্যা মামলায় ৬৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। সেই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচারক শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরে হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা রীনা বেগম ওই বছরের ৩১ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে গত ২৩ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আকরামুজ্জামান। এ মামলায় ২০ আসামি পলাতক রয়েছেন। সাদেক খান, পলকসহ চারজন কারাগারে ও ১০ জন জামিনে আছেন।

অপরদিকে সবুজ হত্যা মামলার সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের সময় ৪ আগস্ট মোহাম্মদপুরে ময়ূর ভিলার সামনে গুলিবিদ্ধ হন ২২ বছরের সবুজ।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৪৫০-৫০০ জনকে আসামি করে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন সবুজের ভাই মনির হোসেন।

মামলার এজাহারে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামালের নাম ছিল না। তবে তদন্ত শেষে গত ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. মাজহারুল ইসলাম।

অভিযোগপত্রভুক্ত ২১ জনই পলাতক রয়েছেন।