ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
চট্টগ্রাম-১৫ আসনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে নাজমুল মোস্তফা আমিন

থানা থেকে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থানা থেকে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার নিশ্চিত করা না গেলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের

বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন।
(২২ ডিসেম্বর) সোমবার সন্ধ্যায় কেরানীহাটের একটি রেস্তোরাঁয় সাতকানিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, ৫ আগস্টের পর সাতকানিয়ায় সংঘটিত ডাবল মার্ডারের প্রকৃত অপরাধীরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এসব হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে থানা থেকে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র। প্রতিনিয়ত নানা অজুহাতে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ হামলার শিকার হচ্ছেন। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলেই মানুষকে ভয়ভীতি ও নির্যাতনের মুখে পড়তে হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে কিনা—সে বিষয়ে সংশয়ে রয়েছে। তাই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।
বিএনপি মনোনীত এই প্রার্থী আরও বলেন, সাতকানিয়ার পাশাপাশি লোহাগাড়াতেও কথায় কথায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঘটছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই আসনে নির্বাচন আয়োজনের আগে অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করতে হবে। তা না হলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের ভোট প্রদান থেকে বিরত রাখতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, বিএনপি কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয় না। ভোটাররা যদি সারিবদ্ধভাবে নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, তাহলে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। এজন্য ভোটারদের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখনই প্রকৃত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে ভোটারদের ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, বিএনপি খেটে খাওয়া মানুষের দল। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার সম্পর্ক শুরু থেকেই অটুট। খাল কেটে কৃষকদের ভাতের নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন মেজর জিয়া। আগামীতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে দেশের সব ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হবে।

এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জসিম উদ্দিন আবদুল্লাহ, জান্নাতুল নাঈম রিকু, অ্যাডভোকেট এরশাদুর রহমান রিটু, নুরুল কবির বাদশা, হাজী আহমদ কবির, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসাইন, অ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম মানিক, শাহাব উদ্দিন রাশেদ, হাসান আলী, সাজেদুল আলম মিঠু, হাজী আবু তালেব, মো. শফি সও., মো. ইব্রাহিম মেম্বার, মোদাচ্ছির আলম, জুনাইদুল হক চৌধুরী ও মো. আরিফসহ আরও অনেকে।

ট্যাগ:
রিপোর্টার এর তথ্য

জনপ্রিয় পোস্ট

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে নাজমুল মোস্তফা আমিন

থানা থেকে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব

প্রকাশিত: ১১:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থানা থেকে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার নিশ্চিত করা না গেলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের

বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন।
(২২ ডিসেম্বর) সোমবার সন্ধ্যায় কেরানীহাটের একটি রেস্তোরাঁয় সাতকানিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, ৫ আগস্টের পর সাতকানিয়ায় সংঘটিত ডাবল মার্ডারের প্রকৃত অপরাধীরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এসব হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে থানা থেকে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র। প্রতিনিয়ত নানা অজুহাতে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ হামলার শিকার হচ্ছেন। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলেই মানুষকে ভয়ভীতি ও নির্যাতনের মুখে পড়তে হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে কিনা—সে বিষয়ে সংশয়ে রয়েছে। তাই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।
বিএনপি মনোনীত এই প্রার্থী আরও বলেন, সাতকানিয়ার পাশাপাশি লোহাগাড়াতেও কথায় কথায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ঘটছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই আসনে নির্বাচন আয়োজনের আগে অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করতে হবে। তা না হলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের ভোট প্রদান থেকে বিরত রাখতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, বিএনপি কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয় না। ভোটাররা যদি সারিবদ্ধভাবে নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, তাহলে ধানের শীষের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। এজন্য ভোটারদের নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখনই প্রকৃত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে ভোটারদের ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, বিএনপি খেটে খাওয়া মানুষের দল। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার সম্পর্ক শুরু থেকেই অটুট। খাল কেটে কৃষকদের ভাতের নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন মেজর জিয়া। আগামীতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে দেশের সব ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হবে।

এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জসিম উদ্দিন আবদুল্লাহ, জান্নাতুল নাঈম রিকু, অ্যাডভোকেট এরশাদুর রহমান রিটু, নুরুল কবির বাদশা, হাজী আহমদ কবির, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসাইন, অ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম মানিক, শাহাব উদ্দিন রাশেদ, হাসান আলী, সাজেদুল আলম মিঠু, হাজী আবু তালেব, মো. শফি সও., মো. ইব্রাহিম মেম্বার, মোদাচ্ছির আলম, জুনাইদুল হক চৌধুরী ও মো. আরিফসহ আরও অনেকে।