
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে দেশে আসেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সৃষ্টি হয় ব্যাপক আবেগ, কৌতূহল ও রাজনৈতিক আলোচনা।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে সপরিবারে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।
সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে লাল-সবুজ রঙের একটি বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে তিনি পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনা মঞ্চের উদ্দেশে রওনা হন।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রতিটি মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুপুর ২টা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাতটি পোস্ট দেন তিনি। এসব পোস্টে দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে স্বদেশে ফেরার অনুভূতি, আবেগ এবং কৃতজ্ঞতার প্রকাশ স্পষ্টভাবে উঠে আসে।
পূর্বাচলের গণসংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছানোর আগ মুহূর্তে বিকেল ৩টা ১৭ মিনিটে তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা আল-ইমরানের ২৬ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করেন। আয়াতে বলা হয়েছে— আল্লাহই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা কেড়ে নেন। তিনি যাকে চান সম্মানিত করেন এবং যাকে চান হীন করেন। সব কল্যাণ তাঁরই হাতে এবং তিনি সব কিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।
এই আয়াতের মাধ্যমে তারেক রহমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও কৃতজ্ঞতার বার্তা তুলে ধরেন।
দেশ বাংলা অনলাইন 



















