
পটিয়া পৌরসদরের তালতলা চৌকি এলাকার মেয়ে অদম্য প্রতিভার অধিকারী চুমকি চৌধুরী, এবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ ভর্তি পরীক্ষায় ২৯৫৫৮ জনের মধ্যে ১২৪৩ তম স্থান অর্জন করে। মেধাবী মেয়েটির স্বপ্ন চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট হওয়ার। পিতা সুবল চৌধুরী দিনমজুর, মা তাপসী চৌধুরী পেশায় গৃহিনী। গৃহকর্মের পাশাপাশি মায়ের কাপড় সেলাই করে পাওয়া আয় দিয়েই চলে তাদের চারজনের সংসার, ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ অবস্থা। শত অভাব পেছনে ঠেলে এ পর্যন্ত এসেছে মেয়েটি, স্কুল-কলেজের প্রতিটি পরীক্ষায় পেয়েছে জিপিএ-৫। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির চান্স পেয়েও অর্থাভাবে ভর্তি হতে না পারায় সৃষ্টি হয় তার স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা।
গত ০৭ অক্টোবর ২০১৯খ্রি: “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েও ভর্তি হতে পারছে না চুমকি” শিরোনামে দৈনিক কালেরকণ্ঠের “দ্বিতীয় রাজধানী” পাতায় প্রকাশিত হয় এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।
চুমকির স্বপ্নপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়ানো সেই অভাবের কথা ছুঁয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব নুরেআলম মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএমকে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেন প্রতিবেদক ও চুমকির পরিবারের সাথে।
আজ ০৯ অক্টোবর ২০১৯খ্রি: চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের অফিস কক্ষে চুমকি ও তার মা তাপসী চৌধুরীর হাতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন পুলিশ সুপার মহোদয়। অর্থের অভাবে যাতে চুমকির শিক্ষাজীবন থমকে না দাঁড়ায় সেজন্য সবসময় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।
সামনে এগিয়ে চলার ভরসা পেয়ে আবেগাপ্লুত চুমকির পরিবার। চুমকির মা তাপসী চৌধুরী অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব নুরেআলম, মিনা, বিপিএম (বার), পিপিএম এর প্রতি।
দেশ বাংলা ডট নেট ডেস্ক 




















